পেশি শক্তি ও রাজনৈতিক ক্ষমতায় এক বৃদ্ধ নারীর জমি দখল করে পুকুর খনন

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় এক বৃদ্ধ নারীর জমি দখল করে নিয়েছে ক্ষমতাসীন প্রতিপক্ষ। উপজেলা নির্বাহী অফিস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং চারঘাট মডেল থানায় একাধিক অভিযোগ করে পাওয়া যায়নি সমাধান ।

ভুক্তভোগী আসমানী বেগম (৬৫) পত্রিকার প্রতিনিধিকে অভিযোগ করে বলেন, বর্তমান সরকারী দলের প্রভাব এবং পেশি শক্তির কাছে তারা অসহায়। উপজেলার বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে অভিযোগ দিয়ে পাওয়া যাচ্ছে না সঠিক সমাধান। উপায়ন্তর তারা মিডিয়ার দারস্ত হয়। তার এই জমি দখলের করেছে উপজেলার থানাপাড়া (ঈদগাহ মোড়) এলাকার মৃত সাহাজ উদ্দিন এর ছেলে জেকরিয়া এবং মৃত সাজদার এর ছেলে আজগর আলী।

ইউএনও ও ভূমি অফিস এবং থানার অভিযোগ সূত্রমতে, পূর্ব থানাপাড়া গ্রামস্থ এলাকায় তাদের আবাদী জমি রয়েছে। যেখানে আমের বাগানসহ বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ হয়। সেই জমির বেশির ভাগ অংশ প্রতিপক্ষ আজগর আলী তার দলিয় ক্ষমতা বলে পুকুর খনন করে নিয়েছে। বর্তমান তারা ওই জমিতেই যেতে পাড়ছে না বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী ও তার পরিবার।

সম্প্রতী, পূনরাই তারা বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জমা দিয়েছেন। ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা দাবি করে বলেন, তাদের অবৈধ ভাবে ২০.৫০ শতক জমি দখল করে পুকুর খনন করেছে। ওই পুকুর ভরাটসহ ভূমির দখল মুক্ত এবং জমির দখল পূর্নবহাল করে দাবি জানান সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে।

অভিযোগের বিষয়ে আজগর আলী বলেন, তাদের বংশিয় আত্মিয় স্বজনদের পরিবারের মধ্যে জমির ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে ঝামেলা রয়েছে। তাদের মধ্যে জমির ওয়ারিশ সূত্রে জমির মালিক লিটনের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়ে পুকুর খনন করেছেন তিনি। প্রকৃত অর্থে আসমানী জমির মালিক হয়, তাহলে তাকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে দিবেন। ইতোপূর্বে চারঘাট মডেল থানায় এই বিষয়ে একটি সালিশ হয়েছে বলে জানান তিনি।

চারঘাট মডলে থানা অফিসার ইনচার্জ এস এম আবদুন নূর বলেন, জমির সমস্যা গুলো নিয়ে থানা পুলিশের সঙ্গে একটি সালিশ হয়েছিল। মূলত ঘটনাস্থলে অপ্রীতিকর কোন ঘটনা না ঘটে সেই বিষয়ে পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত থাকে। সার্বিক বিষয় প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নিবেন সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

চারঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস বলেন, জমি অবৈধ দখল করে পুকুর খনন সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছেন। এই বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানান।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ​রূপগঞ্জে ফলাফল বিপর্যয়: ৭ প্রতিষ্ঠানে ফেলের পাল্লা ভারী; মাদরাসাগুলোতেও হতাশা

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন