শ্রমিকদের আড়ালে সীমান্তের ওপার থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

কোনো শ্রমজীবী মানুষ বা প্রকৃত শ্রমিক কখনো নিজের জীবিকা ও কর্মস্থলের ক্ষতি করতে পারেন না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শ্রমিকদের দাবির সুযোগ নিয়ে একটি মহল সীমান্তের ওপার থেকে দেশে অরাজকতা তৈরির পাঁয়তারা করছে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের খুলনা-মোংলা মহাসড়কের কাটাখালী মোড়ে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাগেরহাট জেলা বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই পথসভায় নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান ও পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামসহ স্থানীয় অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মোংলা বন্দরে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ ও ‘চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন’ (সিআরসিসি)-এর চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে পথসভা শেষে তিনি বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত ও মোনাজাতে অংশ নেন।

পথসভায় সাম্প্রতিক বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ভাঙচুরের ঘটনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ৫০ বছরে গড়ে ওঠা কলকারখানাগুলো দেশের মূল অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি এবং লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান। গণমাধ্যম থেকে জানা যাচ্ছে কিছু দুষ্কৃতকারী এসব কারখানায় হামলা চালাচ্ছে। গত ১৫-১৬ বছর ধরে যারা জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করেছিল এবং সম্পদ পাচার করে গণঅভ্যুত্থানের মুখে বিদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল, তারাই এখন ওপার থেকে কলকাঠি নেড়ে এই বিশৃঙ্খলা ছড়াচ্ছে।

শ্রমিকদের বকেয়া বা মজুরি সংক্রান্ত দাবির বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক অবস্থান তুলে ধরে তারেক রহমান আশ্বাস দেন, শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ রক্ষায় ইতোমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং তারা কাজও চালাচ্ছে। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে একটি নতুন যৌক্তিক নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।

পড়ুন : শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগে ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন