বিজ্ঞাপন

ওড়না বা হিজাব পরে খেলার সুযোগ নেই: তাসনুভা তিশা

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা সেলিব্রিটিদের নিয়ে আয়োজিত ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘সেলিব্রিটি ক্রিকেট লিগ’ (সিসিএল) অংশগ্রহণ করেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে খেলা সর্ম্পকে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন।

সাক্ষাৎকারে তাসনুভা তিশা বলেন, ‘আমাদের মেয়েদের ক্ষেত্রে যারা খেলছি আমরা প্রত্যেকটা মেয়ের ব্যাপারে খুবই আজেবাজেভাবে পোট্রে করা হচ্ছে নিউজগুলোতে সেটা ইউটিউবে হোক ব্যক্তিগত ব্যাপারের চাইতেও তারা কি পোশাক পরিহিত করেছে মানে কাপড় চোপড় নিয়ে কে কতটুক কিভাবে কাপড় পড়লো কি করলো না করলো তারপরে আমরা খেলা দেখাতে কম এটা দেখাতে এসেছি বেশি ওটা বেশি মানে খুবই আজেবাজে কমেন্ট আসে সেখানে কারণ কমেন্ট আসার জন্য প্রপার কারণটা আসলে দিয়ে দিচ্ছে।’

পোশাকের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আবার যারা এই নিউজটা দেখবে তারা বলবে আপনারা একটু ঠিকঠাক মত পড়লেই হয় কাপড়। এটাও আবার কমেন্ট করবে। এখানে আসলে শাড়ি পড়লেও তো আবার কমেন্ট করবেন। কি যে পরবো জানি না। যাই হোক খেলা তো আসলে খেলাই। ছেলে-মেয়ে সবার জন্য একই রকম। এখানে ওড়না বা হিজাব পরে খেলার কোনো সুযোগ নেই। তারপরও আমাদের মেয়েরা যথেষ্ট চেষ্টা করছি আমরা আমাদের জায়গা থেকে যতটা মানে একটু কন্ট্রোভার্সি এরিয়ে যাওয়ার জন্য। কারণ কন্ট্রোভার্সির তো শেষ নেই।’

তিনি বলেন, ‘এখন আপনার কাছে কোনটা দৃষ্টিকটু সেটা হয়তো যে পড়েছে তার কাছে দৃষ্টিকটু না। একেকজনের পার্সোনালিটি একেক রকম। আমার পার্সোনালিটি আমার ঢোলা টিশার্ট ভালো লাগে। টাইট টিশার্ট ভালো লাগে না। এখন এটা আমার প্রেফারেন্স। এটার সাথে আমার চরিত্র, শিক্ষার, জ্ঞানের কোন সম্পৃক্ততা নাই।’

শেষে তিনি বলেন, ‘এখন যে মেয়েটা বোরকা পড়ে ওই মেয়েকে দেখেও অনেকের অনেক কিছু হয়। তো এটা আসলে বলে লাভ নাই বা মানে বোরকা পড়লে আবার অনেকে অনেক ক্ষেপে যাবে। মানে আমি বলতে চাচ্ছি যে অনেক শালীনভাবে একটা শালোয়ার কামিজ পড়ে ওড়না পড়ে খুব ভদ্রভাবে এসেছি। তারপরও কিন্তু অনেক ধরনের কমেন্ট শুনতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: অভিনেত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যা বললেন অভিনেতা শামীম হাসান সরকার

দেখুন: হিরো আলমের বিরুদ্ধে জিডি করলেন তার নায়িকা 

এস

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন