বিজ্ঞাপন

গাজায় চলমান গণহত্যার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে পথসভা ও র‍্যালী

বিজ্ঞাপন

বিশ্বব্যাপী মুসলিম নির্যাতন ও গাজায় চলমান গণহত্যার প্রতিবাদে র‍্যালী ও পথসভা করেছে নোয়াখালী জেলা হেযবুত তওহীদ।

সোমবার (১৯ মে) সকাল ১০ টায় র‍্যালীটি নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নোয়াখালী প্রেস ক্লাবের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়।

পথসভায় সংগঠনের মূখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী জেলা হেযবুত তওহীদের সভাপতি আশিক মিয়া।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মুসলমানরা যখন নিজেরা নিজেরা দলাদলি নিয়ে ব্যস্ত, ঠিক সেই মুহূর্তে আমাদের থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরে ফিলিস্তিনের মুসলমানদের ওপর চলছে অবর্ণনীয় নিপীড়ন। ঘরবাড়ি, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, এমনকি মসজিদ-কোনো কিছুই রক্ষা পাচ্ছে না। শুধু গত এক বছরে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। এখন অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে নিহতদের দাফনের জন্য পর্যন্ত মানুষ পাওয়া যাচ্ছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বজোড়া মুসলিম জাতির ওপর চলমান নির্যাতন থেকে মুক্তি পেতে হলে বিশ্ব মুসলিম জাতিকে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’ এক কালেমার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দলাদলি, ফেরকা, বিভেদ ভুলে কেবল আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে হবে।

পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, হেযবুত তওহীদের নোয়াখালী জেলা নারী বিষয়ক সম্পাদক নাজমা আক্তার, সহকারী নারী সম্পাদক তাহমিনা খানম রূপা, বেগমগঞ্জ উপজেলার সভাপতি সাহেদুর রহমান সাহেদ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সভাপতি মো. মইন উদ্দিন, সুবর্ণচর উপজেলার সভাপতি আব্দুল মান্নান, হাতিয়া উপজেলার সভাপতি মো. হাজী বেল্লাল প্রমুখ। র‍্যালী ও পথসভায় বিভিন্ন প্লাকার্ড-ফেস্টুন হাতে সংগঠনটির দুই শতাধিক নারী-পুরুষ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

র‍্যালী চলাকালীন শহরের সাধারণ জনগণ ও পথচারীদের মাঝে গাজায় চলমান হত্যাযজ্ঞ বন্ধে মুসলিম জাতির করনীয় বিষয়ে জনসচেতনতামূলক হ্যান্ডবিল বিতরণ করা হয়।

পড়ুন: নেত্রকোনায় মৎস্য অভয়াশ্রম থেকে নিষিদ্ধ জাল জব্দ, পুড়াল প্রশাসন

দেখুন: নেত্রকোনায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে যা ঘটলো |

ইম/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন