তীব্র যানজটে দুর্ভোগের ২০ ঘণ্টা পর ঢাকা-টাঙ্গাইল- যমুনা সেতু মহাসড়ক স্বাভাবিক হয়েছে। বুধবার রাত ৯টার দিকে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। বর্তমানে মহাসড়ক দিয়ে নির্ভিগেই যানবাহন চলাচল করছে।
এর আগে ঈদ যাত্রার শেষ দিনে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, যমুনা সেতুর উপর একাধিক গাড়ি বিকল ও সড়ক দুর্ঘটনায় বৃষ্টির কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ঈদে ঘরমুখো মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। তবে যানজট নিরসনে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে।
পুর্লিশ ও যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার রাত থেকেই গাজীপুরে চন্দ্রা এলাকায় তীব্র যানজট ছিলো। এর প্রভাবে পড়ে টাঙ্গাইল অংশে। মহাসড়কের যমুনা সেতু থেকে মির্জাপুর পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ সাড়ি তৈরি হয়। এতে করে চন্দ্রা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে চন্দ্রার যানজট কমলেও টাঙ্গাইলের অংশে যমুনা সেতু থেকে মির্জাপুর পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে মহাসড়কে আরো যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। এছাড়া মহাসড়কে ছোট ছোট দুর্ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্থবির হয়ে পড়ে। উত্তরের যাত্রা স্বস্তির করতে পরে সকাল থেকে সেতু কর্তৃপক্ষ কয়েক দফায় পুরো সেতু দিয়েই একযোগে উত্তরের দিকে একমুখী যানবাহন চলাচল করানো হয়। বিকেলের পর থেকেই মহাসড়কের যানবাহনের তীব্রতা কমতে থাকে। পরবর্তীতে রাত ৯টার দিকে যানবাহন চলাচল পুরো স্বাভাবিক হয়।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ হাজার ২৩৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। ফলে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৮২ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা।
যাত্রীরা বলেন, এই মহাসড়ক দিয়ে যমুনা সেতু পাড়ি দিতেই ১৬ থেকে ১৮ ঘন্টা পর্যন্ত সময় লাগে। এতে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের ভোগান্তি হয় চরম। এজন্য বছর বছর এই চরম ভোগান্তির অবসান চান তারা।
এ ব্যাপারে এলেঙ্গা পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মো. শরীফ বলেন, ভোগান্তীর পর রাত ৮টার পর থেকেই মহাসড়ক স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে মহাসড়কে কোন যানজট ও ধীরগতি নেই। যানজট নিরসনে জেলা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে।
পড়ুন : ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে তীব্র যানজটে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ চরমে


