মানিকগঞ্জে দেখা মিলল পৌনে এক মন ওজনের কাঁঠাল। প্রায় পৌনে দুই হাত ওজনের এই কাঁঠালটি গত কয়েকদিন ধরে হরিরামপুর উপজেলার আন্ধার মানিক বাজারে ফরিদের দোকানে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এত বড় কাঁঠাল দেখে দু একজন দাম জিজ্ঞেস করলেও ওজন আর সাইজ দেখে কেউ কিনতে চায়নি বলে জানা যায়।
জানা গেছে, গত শুক্রবার থেকে উপজেলার দরিকান্দি গ্রামের ফরিদের বাড়িতে লাগানো গাছ থেকে কাঁঠালটি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে আন্ধারমানিক বাজারে আনা হয়। গাছে বেশ কয়েকটি কাঁঠাল ধরলেও এই কাঁঠালটির ওজন প্রায় ৩০ কেজির উপরে।
আন্ধারমানিক বাজারে ব্যবসায়ী কাঠালের মালিক ফরিদ জানান, গত শুক্রবার এত বড় কাঁঠাল গাছ থেকে পেড়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাজারে আনি। তিন দিন হয়ে গেল, কাঁঠালটি বিক্রি হচ্ছে না, কারণ কাঁঠালটির ওজন আর সাইজ দেখে কেউ কিনতে চায় না। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এত বড় কাঁঠাল একটি পরিবারের খেতে কম করে হলেও প্রায় সপ্তাহখানেক লাগতে পারে। ২০০ টাকা দাম চেয়েও ক্রেতা মিলছে না।
ফরিদের পাশে দোকানদার মহিত জানান, এত বড় কাঁঠাল আমি এই প্রথম দেখলাম। কাঁচা অবস্থায় এর ওজন ছিল প্রায় ৩০ কেজির উপরে। আজ ডিজিটাল স্কেলে মেপে দেখি ২৫ কেজির মত হয়ে গেছে। দেড় থেকে ২০০ টাকাতেও কেউ কিনতে চায় না। হতে পারে এই বছরে মানিকগঞ্জ অথবা দেশের সবচেয়ে বড় বেশি ওজনের এবং বড় কাঁঠাল।
খাল পার এলাকার ইমরান হোসেন জানান, ডিজিটাল স্কেলে এবং আমি হাতের ওজনে মেপে দেখেছি কাঠালটির ওজন প্রায় কেজির উপরে। হতে পারে এই কাঁঠালটির আকার এবং ওজনে এই বছর দেশের বৃহৎ এবং সর্বোচ্চ ওজনের বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

