অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যাটিং বিপর্যয় হলো বাংলাদেশের। হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে তাওহীদ হৃদয়রা নির্ধারিত ওভারে করতে পেরেছেন মোটে ১০৯ রান।
হৃদয় ৫১ বলে ৬১ রান না করলে এই ১০৯ রানও হত না। বাকিদের মধ্যে রিশাদ হোসেন ছাড়া আর কেউ দশের ঘর পার হতে পারেননি। বাংলাদেশের ওপর বড় চাপটা তৈরি করেছেন স্পেন্সার জনসন। বাঁহাতি এই পেসার মাত্র ৬ রান দিয়েই তুলে নিয়েছেন ২ উইকেট।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওভার থেকে উইকেটের পতন শুরু হয়। ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে চার হাঁকানো তানজিদ তামিমকে আত্মবিশ্বাসীই লাগছিল, সাইফ হাসানের স্ট্রেইটে খেলা বলে স্পেন্সার জনসন আঙুল ছোঁয়ালে ননস্ট্রাইকে রানআউট হন তিনি। একই ওভারে বিদায় নেন ৯ বল খেলে ১ রান করা সাইফ হাসান।
পরের ২ ওভারে কোনো উইকেট না হারালেও বাংলাদেশ রান তুলে মাত্র ৩। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে নাথান এলিসের বলে জোয়েল ডেভিসকে ক্যাচ দেন পারভেজ হোসেন ইমন। এই ব্যাটার ১ রান করেন ১৩ বল খেলে।
এই ম্যাচ দিয়ে দলে ফিরেছিলেন নুরুল হাসান সোহান। ৮ বল খেলে মাত্র ৬ রান করেন তিনি। ব্যর্থতা চলছে শামিম হোসেনেরও, এই হার্ডহিটার ৫ বল খেলে রানের খাতা খুলতে পারেননি। এরপর তাওহীদ হৃদয় ও রিশাদ হোসেনের মধ্য ২৬ রানের জুটি হয়। রিশাদ ১৪ বলে ১৬ রান করে দিয়ে যান।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

