চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার দক্ষিণ আশিয়ায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ১০ দিনব্যাপী শাহাদাতে কারবালা মাহফিল।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে দক্ষিণ আশিয়া গাউছিয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসা মাঠে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিলের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
শাহাদাতে কারবালা পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা মুহাম্মদ আবু তালেব মঈনী (মা.জি.আ.)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাপনী অধিবেশনে আলোচনা করেন আল্লামা আবুল আসাদ জোবাইর রজভী (মা.জি.আ.), মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বাহাদুর (মা.জি.আ.), মাওলানা মুহাম্মদ ফেরদৌসুল আলম খান আলকাদেরী (মা.জি.আ.), মাওলানা খোরশেদ রেজা কাদেরী এবং মাওলানা রাশেদুল ইসলাম কাদেরী।
পরিচালনা পরিষদের মহাসচিব নুরুল আমিন টিটুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাওলানা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন মজিদী (মা.জি.আ.)। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এম. সাইফুদ্দীন, মুহাম্মদ আলী হোসাইন, মুহাম্মদ নুর করিম চৌধুরী, মুহাম্মদ আজিজুল হক, প্যানেল চেয়ারম্যান ফয়েজ আহমদ, ইউপি সদস্য আরিফ উদ্দীন বাবু, মাহফিলের উপদেষ্টা মুহাম্মদ আলম চৌধুরী, জসিম উদ্দীন, মুহাম্মদ মোজাহেরুল ইসলাম, ডা. মুহাম্মদ আবদুল হক, পরিচালনা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বয়ানী, তছকির সওদাগর, কাজী মুহাম্মদ নেজামুল হক, জয়নাল আবেদীন, আবদুল মান্নান, আবদুল করিম, মুহাম্মদ মুছা, যুগ্ম মহাসচিব সাহাবউদ্দীন বাবু, আবদুল মুবিন, মোহাম্মদ শরিফ, জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম ইবনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সমাপনী দিনের আলোচনায় বক্তারা বলেন, পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মাহকে সত্য, ন্যায়, ত্যাগ ও আত্মত্যাগের অনন্য শিক্ষা দেয়। কারবালার ঘটনা শুধু শোকের নয়, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান, আল্লাহ ও তার রাসূলের প্রতি আনুগত্য, ধৈর্য, সংযম এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তারা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে কারবালার আদর্শ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
শেষে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য কামনায় আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। মোনাজাত শেষে উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে তবারুক বিতরণ করা হয়।
পড়ুন: নতুন উচ্চতায় ঢাকা-চীন সম্পর্ক: আলোচনায় তিন দেশের অর্থনৈতিক করিডর
আর/


