বিজ্ঞাপন

এক বছরে ৫০০ কোটি টাকার উন্নয়ন করতে পারলে মানুষকে স্বস্তি দিতে পারতাম : ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন

সংসদীয় এলাকার বেহাল রাস্তাঘাটের চিত্র তুলে ধরে ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেছেন, “এক বছরে ৫০০ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ করতে পারলে মানুষকে স্বস্তি দিতে পারতাম।”

বুধবার সাভার উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সংসদ সদস্য বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার উন্নয়নই তাঁদের মূল দায়িত্ব এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার রাস্তাঘাট। সাভার, আশুলিয়া ও পৌরসভা এলাকায় বর্তমানে অধিকাংশ সড়কই ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। তাঁর ভাষায়, “এক বছরে যদি ৫০০ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ করতে পারতাম, তাহলে অন্তত মানুষকে বলতে পারতাম, ‘তোমাদের সব কাজই হবে।'”

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণে অনেক সড়ক আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও সংস্কার করতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার নতুন সড়ক নির্মাণের দাবিও নিয়মিত আসছে। এসব দাবির তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। কোন প্রকল্পের আওতায় এবং কোন ক্যাটাগরিতে রাস্তা ও সেতুর কাজ করা যাবে, সে বিষয়ে প্রকৌশলীদের প্রয়োজনীয় তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, নির্বাচনের পর এ বিষয়ে একবার বৈঠক হয়েছিল। নতুন অর্থবছর শুরু হওয়ায় আবারও বৈঠক করা হয়েছে, যাতে বরাদ্দ পাওয়া অর্থ যথাযথভাবে বণ্টন করা যায়। যেখানে প্রকৃত প্রয়োজন, সেখানে আগে উন্নয়নকাজ করা হবে।

তিনি বলেন, শুধু রাজনৈতিক সুপারিশের ভিত্তিতে নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতেই উন্নয়নকাজের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে। সব সড়কের কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে। তবে কোনটি আগে করা হবে, তা তালিকা চূড়ান্ত করে নির্ধারণ করা হবে।

সংসদ সদস্য আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব কিছু তহবিল রয়েছে। এ ছাড়া আরও কিছু উন্নয়ন তহবিলও আছে। অনেক সময় সুপারিশ বেশি আসে, কিন্তু বরাদ্দ সীমিত থাকে। তাই প্রশাসন, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে বিধি অনুযায়ী অর্থ বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে। সরকারের নির্দেশনা অনুসরণ করে উন্নয়নকাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। সাভারের উন্নয়নের চাহিদা অনেক বেশি। সরকার যে বরাদ্দ দেবে, তার পাশাপাশি নিজস্ব উদ্যোগেও অতিরিক্ত বরাদ্দ আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষের ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করা যায়।

প্রশাসন, ইউএনও, উপজেলা প্রকৌশলী, পিআইওসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা নিয়ে ঢাকা-১৯ আসনকে সুন্দর ও উন্নত করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ফটিকছড়িতে ২৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন