বিজ্ঞাপন

ভারী বৃষ্টিতে ফের বন্যার শঙ্কা, ঝুঁকিতে ৭ জেলা

ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের সাতটি জেলায় আবারও বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে। একই সময়ে কয়েকটি জেলার নদ-নদীর পানি সতর্কসীমা স্পর্শ করতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে নদ-নদীর বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানির স্তর স্থিতিশীল ছিল। তবে আগামী তিন দিনের মধ্যে এসব নদীর পানি বাড়তে পারে। এর ফলে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কয়েকটি স্থানে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানির স্তরও বেড়েছে। আগামী তিন দিন এই ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এসব নদীর কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হতে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে অথবা বিদ্যমান বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা এবং গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর পানির স্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী পাঁচ দিন এসব নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এ অবস্থায় ২০ থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার কয়েকটি পয়েন্টে পানি সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। একই সঙ্গে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় কীর্তনখোলা, লোয়ার-মেঘনা, পশুর, ইছামতি, কর্ণফুলী, লিটল ফেনী ও নোয়াখালী খালসহ বিভিন্ন নদীতে বর্তমানে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি জোয়ার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী একদিনও এসব নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি জোয়ার অব্যাহত থাকতে পারে।

পড়ুন: বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ইয়ামালের প্রশংসায় মেসি

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন