দ্বিতীয়ার্ধের ৫২তম মিনিটে মাইকেল ওলিসের পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা জাগান কিলিয়ান এমবাপ্পে। এরপর মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে তার বাড়ানো বলে জাল খুঁজে নেন বারকোলা, যা ম্যাচে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে দেয়। ৬৬তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান আরও কমান এমবাপ্পে। ফলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-৩। মাত্র ১২ মিনিটে তিনটি গোল করে ইংল্যান্ডের রক্ষণে বড় চাপ সৃষ্টি করে ফরাসিরা।
৬৬তম মিনিটে করা এই গোলের মধ্য দিয়েই ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করেন এমবাপ্পে। বিশ্বকাপে মোট ২২ গোল করে তিনি ছাড়িয়ে যান লিওনেল মেসির ২১ গোলের রেকর্ড। এর ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এককভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে আসেন এই ফরাসি তারকা।
এছাড়া চলতি আসরে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ নিয়ে গিয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও শীর্ষে উঠে আসেন এমবাপ্পে। এই তালিকায় তিনি পেছনে ফেলেছেন আট গোল করা মেসিকে।
তবে ব্যক্তিগত সাফল্য সত্ত্বেও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি এমবাপ্পে। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের কাছে ৬-৪ গোলের ব্যবধানে হেরে চতুর্থ স্থান নিয়েই আসর শেষ করতে হয় দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে। তবুও এই ম্যাচে এমবাপ্পের দুর্দান্ত ফিনিশিং ও লড়াকু মানসিকতা দীর্ঘদিন ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে জায়গা করে নেবে।
পড়ুন: বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ইয়ামালের প্রশংসায় মেসি
আর/


