যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার আমরা প্রত্যেকটি জেলায় জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ করবো। ইতিমধ্যে এই অর্থবছরে আমরা ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পর্যাক্রমে ৫ বছরে আমরা ৬৪টি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ করবো। স্পোর্টস ভিলেজগুলোতে ফুটবল ক্রিকেটসহ আন্তর্জাতিক মানের সকল সুযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে।
শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক গোলকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় সাংবাদিকদের তিনি এ সব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আগামী জাতীয় শিক্ষাক্রমে ৪র্থ শ্রেণী থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। সেখানে ফুটবল ক্রিকেটসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপরে ইতিমধ্যে পাঠ্যপুস্তক তৈরি করা হয়েছে। সে পাঠ্যপুস্তক পড়ে আমাদের সন্তানরা পড়ে লিখিত পরীক্ষা দিবে।
তিনি আরো বলেন, সারা বাংলাদেশে ৫০৩টি মিনি স্টেডিয়াম হবে। দ্বিতীয় ধাপের আমাদের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বর্তমানে জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসন যত দ্রুত সহযোগিতা করবে, তত দ্রুত কাজ বাস্তবায়ন হবে। তখন সারা দেশের মতো গোপালপুর, ভূঞাপুরসহ বিভিন্ন উপজেলাই মিনি স্টেডিয়াম হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী চার হাজার ৫৯৩ টি ইউনিয়নের খেলা উপযোগী মাঠ তৈরি করতে চাই। এছাড়াও খেলা ধূলার মাধ্যমে আমরা সুস্থ জাতি গড়ে তুলতে চাই। মুঠোফোনসহ বিভিন্ন আসক্ত থেকে আমাদের সন্তানদের দূরে রাখতে চাই। সর্বোপরি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে চাই। খেলা ধূলার মাধ্যমে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় আমুল পরিবর্তন করতে চাই।
খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু, সংসদ সদস্য রবিউল আউয়াল লাবলু, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীন মিয়া প্রমুখ। খেলায় ১-০ গোলে গোপালপুর উপজেলাকে হারিয়ে সদর উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়।
প্রায় দুই যুগ পর টাঙ্গাইল শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে অন্তত লক্ষাধিক দর্শক খেলা উপভোগ করেন।
পড়ুন : বিএনপি সরকার ব্যর্থ হলে এ দেশে কেউ বাস করতে পারবে না : শরীয়তপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী


