বিজ্ঞাপন

বিদ্যুৎমন্ত্রীকে ‘কাউয়া টুকু’ আখ্যা দিলেন ঈসমাইল

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘কাউয়া টুকু’ আখ্যা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ নাগরিক অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক ও শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান ঈসমাইল।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল ও প্রি-পেইড মিটার বাতিলের দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। সমাবেশ শেষে একই দাবিতে গণমিছিল বের করা হয়।

সমাবেশে অ্যাডভোকেট ঈসমাইল বলেন, বিদ্যুৎমন্ত্রী সম্প্রতি একটি হাস্যকর মন্তব্য করেছেন—কোনো গ্রামে নাকি লোডশেডিং নেই। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বিদ্যুতের দাম অনেক সস্তা।

তিনি বলেন, “ওরকম কথাবার্তার জন্য কাদেরকে যদি ‘কাউয়া কাদের’ বলা যায়, তাহলে উনাকে যদি ‘কাউয়া টুকু’ বলা হয়, এতে কি কোনো আপত্তি থাকবে?”

সমাবেশে নারায়ণগঞ্জ নাগরিক অধিকার ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান মাসুম বলেন, নষ্ট মিটার বাদ দিয়ে জনগণের ওপর প্রি-পেইড মিটার চাপিয়ে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন, “আমরা নষ্ট মিটার কেন ব্যবহার করবো? আমাদের রাষ্ট্র এত গরিব হয়ে যায়নি যে, আমাদের অগ্রিম টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে হবে। সরকারকে বলবো, অনতিবিলম্বে এই প্রি-পেইড মিটার বাতিল করা হোক।”

এর আগে নারায়ণগঞ্জ নাগরিক অধিকার ফোরাম প্রি-পেইড মিটার বাতিলের দাবিতে ১১ আগস্ট গণমিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। সংগঠনটির নেতারা কর্মসূচি থেকে প্রয়োজনে আরও কঠোর আন্দোলনের কথাও জানিয়েছিলেন।

সমাবেশে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেন, প্রি-পেইড মিটার স্বৈরাচার সরকার ও মাফিয়াদের একটি প্রকল্প।

তিনি অভিযোগ করেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে বিতর্কিত করার জন্য আমলাদের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসররা পুনরায় প্রি-পেইড মিটারকে সামনে নিয়ে এসেছে। এর মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে সরকারের দূরত্ব তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

সমাবেশে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার পঞ্চায়েত কমিটির নেতৃবৃন্দ, মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ, বিদ্যুৎ গ্রাহক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল ও প্রি-পেইড মিটার বাতিলের দাবিতে একটি গণমিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা।

পড়ুন : নিরাপদ খাদ্যের ব্যাপারে সরকার সচেতন: কৃষিমন্ত্রী

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন