বিজ্ঞাপন

খিলক্ষেত থানা বিএনপির শীর্ষ নেতা সোহরাব খান স্বপন আর নেই

খিলক্ষেত থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সোহরাব খান স্বপন (৬৫) আর নেই। বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

বিজ্ঞাপন

তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোবারক হোসেন দেওয়ান।

সোহরাব খান স্বপন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ১৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি, খিলক্ষেত থানা যুবদলের সভাপতি, খিলক্ষেত থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং সর্বশেষ খিলক্ষেত থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

খিলক্ষেতের রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচ্ছন্ন ও ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন সোহরাব খান স্বপন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে দলীয় নেতাকর্মী, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দল-মতনির্বিশেষে খিলক্ষেতের বিভিন্ন মহলে তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সোহরাব খান স্বপনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নিকুঞ্জ টানপাড়া কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি জাহিদ ইকবাল ও সাধারণ সম্পাদক সৈকত সরকার।
এক শোকবার্তায় তাঁরা বলেন, “সোহরাব খান স্বপনের আকস্মিক মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তিনি ছিলেন খিলক্ষেতের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাঁর পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, সৌজন্যবোধ ও মানুষের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক তাঁকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিল। তাঁর চলে যাওয়া খিলক্ষেতের জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।”

সোহরাব খান স্বপনের জানাজার নামাজ আজ বৃহস্পতিবার বাদ জোহর কুর্মিটোলা হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে খিলক্ষেত হারাল দীর্ঘদিনের এক রাজনৈতিক মুখকে। সহযোদ্ধাদের কাছে তিনি হয়ে থাকবেন দীর্ঘ পথচলার স্মৃতিতে, আর স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের হৃদয়ে তাঁর শূন্যতা হয়ে থাকবে গভীর ও বেদনাবিধুর।

পড়ুন: ইরানকে সাহায্যকারী দেশগুলির বিরুদ্ধে চরম অর্থনৈতিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন