বিজ্ঞাপন

ধানের স্বল্পমেয়াদি জাত বিনা ধানেরচাষাবাদ সম্প্রসারণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

‘কৃষিই সমৃদ্ধি’ আউশ ধানের উন্নত ও স্বল্পমেয়াদি জাত বিনাধান-১৯ ও বিনাধান-২১-এর চাষাবাদ সম্প্রসারণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাওরের কান্দা ও বোরো-পরবর্তী অনাবাদি জমিতে আউশ ধানের আবাদ বাড়াতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে এ আয়োজন করা হয়।
সোমবার সকালে সুনামগঞ্জের বিশ^ম্ভপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের মৌয়াকুড়া গ্রামে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।
বিসিসিটিএফের ‘পরমাণু কৌশলের মাধ্যমে হাওর ও চরাঞ্চল অভিযোজন’ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে
সুনামগঞ্জ বিনা উপকেন্দ্র এর আয়োজনে এবং বিশ^ম্ভপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।
মাঠ দিবসে কৃষকরা বিনাধান-১৯ ও বিনাধান-২১ এর চাষাবাদ, ফলন ও বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা নেন। এ সময় কৃষকদের চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করতে মাঠ পর্যায়ে উৎপাদনের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হয়।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক।
জেলা বিনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো.মাহমুদুল হাসান মানিক’র সভাপতিত্বে বিশ^ম্ভপুর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো.নজিবুল্লাহ আকন্দ,সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্ত মো.আমজাদ হোসেন,উপ-সহকারী কৃষি অফিসার তোফায়েল আহমদ,কৃষক মো.আব্দুস সালাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন,যেখানে ধান চাষের সুযোগ রয়েছে,সেখানে আবাদ বাড়াতে হবে। শুধু নিজেদের উৎপাদনের কথা না ভেবে দেশের খাদ্য চাহিদার কথাও বিবেচনা করতে হবে। একসঙ্গে বেশি সংখ্যক কৃষক আউশ ধান চাষ করলে পাখি ও পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম হবে। যেসব কৃষকের জমি আবাদ উপযোগী রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন:উখিয়ায় জেনারেটরের সঙ্গে ওড়না-চুল পেঁচিয়ে নারী প্রকৌশলীর মৃত্যু

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন