মুঠোফোন হারিয়ে গেলে কিংবা ভুল করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অন্য নম্বরে টাকা চলে গেলেও এখন দুশ্চিন্তার কারণ নেই। থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পর সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের সহায়তায় উদ্ধার করা হচ্ছে হারানো মুঠোফোন ও নগদ অর্থ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেহেরপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয় প্রাঙ্গণে উদ্ধার হওয়া ১০৮টি হারানো মুঠোফোন এবং প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেন পুলিশ সুপার উত্তম কুমার রায়।
পুলিশ জানায়, ২০২৬ সালের জুন ও জুলাই মাসে জেলার তিন থানায় করা সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ১০৮টি হারানো মুঠোফোন উদ্ধার করে। একই সময়ে ২৬টি ফেসবুক আইডিও পুনরুদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে প্রতারণা করে হাতিয়ে নেওয়া ১৬ লাখ ৮৪ হাজার টাকা এবং ভুল করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অন্য নম্বরে চলে যাওয়া ছয়টি জিডির ভিত্তিতে আরও ৫৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার উত্তম কুমার রায় বলেন, “অনলাইন জুয়া, বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভিসা জালিয়াতি, বিকাশ প্রতারণা ও অনলাইন কেনাকাটাসহ বিভিন্ন সাইবার অপরাধের শিকার হলে ভুক্তভোগীদের থানায় জিডি করতে হবে। ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দিতে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল কাজ করছে।”
তিনি আরও বলেন, “অনলাইন প্রতারণা থেকে বাঁচতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ওটিপি কারও সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না। পাশাপাশি অনলাইনে কেনাকাটার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে।”
পড়ুন: হিমবাহ ধস, নাকি উষ্ণতার প্রভাব? নেপালের ভয়াবহ বন্যার নেপথ্যে কী
আর/


