বিজ্ঞাপন

বন্দরে নালিশি জমিতে মাটি কাটা নিয়ে বিরোধ; যা জানা গেলো

বিজ্ঞাপন

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আদালতে চলমান জমি সংক্রান্ত বিরোধের মধ্যে ভেকু দিয়ে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগের পর ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ থানায় উপস্থিত হতে বলেছেন পুলিশ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বন্দর থানার অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই) রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি দেখেন এবং বিরোধপূর্ণ জমি সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে উভয় পক্ষকে থানায় আসতে বলেন।

এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ফতুল্লার পাগলা এলাকার বাসিন্দা মো. সুরুজ (৫৮) বাদী হয়ে বন্দর থানাধীন রুস্তমপুর সাকিনস্থ হারদী মৌজার ৭৬ শতাংশ জমি দখল ও মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগে চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ডিপি রোড এলাকার মো. শরীফ হোসেন (৬২), মো. খোকন (৬০), সাজ্জাদ হোসেন সাজু (৫২) এবং মো. রাজু ওরফে সারোয়ার হোসেন (৪৫)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উক্ত জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে সিনিয়র সিভিল জজ, বন্দর আদালতে দেওয়ানি মামলা নং-৫১৬/২০২২ বিচারাধীন রয়েছে।

বাদীর অভিযোগ, মামলা চলমান থাকা অবস্থায় গত ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বিবাদীরা ওই জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে ভেকু বসিয়ে মাটি কেটে নিয়ে যেতে থাকেন। এতে বাধা দিলে তাকে গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগের পর সোমবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে। পরে জমি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উভয় পক্ষকে থানায় উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের খোকন মিয়া মুঠোফোনে জানান, এই জমি আমি বায়না সূত্রে মালিক, যা আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে। এ বিষয়ে তারা আপিল করেছে কিনা আমরা জানি না। আদালত আমাদের কাজ বন্ধের কোনো নোটিশ দেয়নি। যদি আদালত এমন কোনো নির্দেশ দেয়, তাহলে অবশ্যই আমরা কাজ বন্ধ রাখব।

পড়ুন : বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল ডেকোরেশনকর্মীর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন