সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় চোরাই চক্রের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বগুড়ার শেরপুর এলাকা থেকে একটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় চোরাই মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত একাধিক বস্তা জব্দ করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতে সলঙ্গা থানা পুলিশ অভিযানে চালিয়ে বগুড়া জেলার শেরপুর ও টাঙ্গাইল জেলার এলেঙ্গা থেকে তাদেরকে আটক করে।
মঙ্গলবার দুপুরে সলঙ্গা থানায় রায়গঞ্জ সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানিয়েছেন।
আটককৃতরা হলো, টাঙ্গাইল জেলার কালেহাতি থানার বিয়ারা মারুয়া গ্রামের মৃত জসীমউদ্দীনের ছেলে মোঃ হায়দার আলী (৬৫), একই থানার চর বাবলা গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের ছেলে মো. সান্ত ইসলাম (২৪) ও বগুড়া জেলার শেরপুর থানার শেরুয়া বটতলা গ্রামের মো. রফিকুল ইসলাম ছেলে মোঃ নয়ন (২০), একই থানার ঘোড়দৌড় গ্রামের শাহিন আলমের ছেলে মো. আরিফুর রহমান সাগর (২১), শেরুয়া বটতলা গ্রামের মো.বাবর আলীর ছেলে মো. রমজান আলী (২১)।
সংবাদ সম্মেলনে রায়গঞ্জ সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান জানান, গত ১ সেপ্টেম্বর সলঙ্গা থানায় দায়ের করা মামলায় মো. আরিফুর রহমান সাগর ও মো. রমজান আলী নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি জানান, গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতের অনুমতি নিয়ে এক দিনের পুলিশ হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে বগুড়ার শেরপুর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। পরে সেখান থেকে ঢাকা মেট্রো-ট-১১-৪৫৬৬ নম্বরের একটি ট্রাক উদ্ধার করে সলঙ্গা থানায় নিয়ে আসে।
তাদের তথ্য অনুযায়ী, পরবর্তী অভিযানে টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানা এলাকা থেকে মো. হায়দার আলী ও মো. সান্ত ইসলাম নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের নিকট থেকে চোরাই মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত একাধিক বস্তা জব্দ করা হয়।
এ ছাড়াও সলঙ্গা থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে বগুড়ার ধুনট থানার খোকসা বটতলা গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. নয়ন কে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে চোরাই মালামাল পরিবহন এবং চক্রটির সাথে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে চোরাই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
এ সময় সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম আলী ও পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন:মদনে মেম্বারপুত্র শাহাগীর ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার, পাঠানো হলো আদালতে
ইমি/


