বিজ্ঞাপন

মদনে ২০ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩, ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবকের জেল

বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় পৃথক দুটি মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৪)। অন্যদিকে, চেকপোস্টে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনের দায়ে এক যুবককে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মদন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাউদ্দীন করিম তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন। আজ দুপুরে গ্রেফতারকৃত ও সাজাপ্রাপ্তদের জেলা আদালত ও কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে র‍্যাব-১৪ (সিপিএসসি, ময়মনসিংহ) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল (মঙ্গলবার) সকাল আনুমানিক ৮টা ২০ মিনিটে মদন থানার উচিতপুর বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে যাত্রীবেশে থাকা তিন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ট্রাভেল ট্রলি ও বাজারের ব্যাগের ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ২০ কেজি গাঁজা এবং তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার ধজনগর গ্রামের মিলন মিয়ার মেয়ে মোছা. সালমা আক্তার (৩৪), একই জেলা ও উপজেলার চান মিয়ার মেয়ে মিনা বেগম (৪৬) এবং কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার তেপুস্কুরনি গ্রামের আলি আজমের ছেলে মো. হৃদয় হাসান (২৪)। পরে র‍্যাব তাদেরকে মদন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

অন্যদিকে, গতকাল (মঙ্গলবার) বিকেল ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার দিকে মদন উপজেলায় চেকপোস্টে তল্লাশি চালিয়ে থানা পুলিশ। এ সময় ৪০ গ্রাম গাঁজাসহ মো. আশরাফুল (২৫) নামের এক যুবককে আটক করা হয়। তিনি বারহাট্টা উপজেলার নৈহাটি গ্রামের হাফিজউদ্দিনের (কুলচান) ছেলে। মাদক সেবন ও বহনের অপরাধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাওলিন নাহার।

মদন থানার ওসি সালাউদ্দীন করিম জানান, র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হওয়া তিন মাদক কারবারিকে আজ (বুধবার) দুপুরে নেত্রকোনা আদালতে সোপর্দ এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত যুবককে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পড়ুন : র‍্যাব যেভাবে বিলুপ্ত হলো, এসআরবি গঠনের গেজেট প্রকাশ

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন