বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার পর জমে উঠেছে প্রচারণা

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার পর ময়মনসিংহের ত্রিশালে জমে উঠেছে প্রচারণা গণসংযোগ। ভোটারদের মাঝে লক্ষ্য করা গেছে উৎসবের আমেজ।

ময়মনসিংহের ত্রিশাল কানিহারি ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা দিচ্ছেন উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি। ভোটাররা বলছেন অন্য কথা যাকে ভোট দিলে এলাকার উন্নয়ন করবে অনিয়ম দুর্নীতি সমাজ থেকে মাদক জুয়া নির্মূল করবে এরকম প্রার্থীকে আমরা ভোট দেবো। কানিহারি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে গণসংযোগ প্রচারণায় মতবিনিময় ওঠান বৈঠকে এগিয়ে আছেন বিশ্ব সমাজসেবক শিক্ষাবিদ মোজাম্মেল হোসেন। তিনি রাত দিন গণসংযোগ করে ভোটারদের মন জয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রার্থীরা গণসংযোগ করে নিজের প্রার্থিতা জানান দিচ্ছেন ভোটারদের।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য বিভিন্ন কৌশলে তারা মতবিনিময় করছেন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন উন্নয়নের। প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে নিজেদের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন।

নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা চলছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে পথসভা, উঠান বৈঠক ও গণসংযোগের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন প্রার্থীরা। অন্যদিকে ভোটারদের মধ্যেও নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় ভোটাররা জানান, তারা এমন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে চান, যিনি এলাকার উন্নয়ন, রাস্তাঘাট, পানি নিষ্কাশন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সুবিধা উন্নত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোজাম্মেল হোসেন এ প্রতিনিধিকে জানান আমি এলাকার সেবক হিসাবে জনগণের পাশে থেকে এলাকার সমস্যা সমাধান করতে চাই । বর্তমান সরকার উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। কথা কাজে মিল রেখে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমি যদি নির্বাচিত হই স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা: মাহবুবুর রহমান লিটনের নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবো ইনশাআল্লাহ।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সকল প্রার্থী ও ভোটারদের সহযোগিতায় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে যোগ্য জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন—এমন প্রত্যাশা রয়েছে এলাকাবাসীর।

সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নতুন জনপ্রতিনিধিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

পড়ুন : নদী পেরিয়ে স্কুল, সংকটে চরাঞ্চলের শিক্ষা কার্যক্রম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন