বিজ্ঞাপন

দুর্গাপুরে পূর্বশত্রুতার জেরে পুকুরে বিষপ্রয়োগ, লাখ টাকার মাছ নিধন

বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় পূর্বশত্রুতার জেরে ফিশারিতে (মাছের খামার) বিষপ্রয়োগ করে প্রায় এক লাখ টাকার দেশীয় প্রজাতির মাছ নিধনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চরম আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগী মৎস্যচাষি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে দুর্গাপুর থানায় অভিযুক্ত দুই প্রতিবেশীর নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মৎস্যচাষি মো. মিয়া হোসেন (৫০)। তিনি উপজেলার ২নং দুর্গাপুর ইউনিয়নের মেনকীফান্দা গ্রামের মো. ইছব আলীর ছেলে।

অভিযোগপত্রে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে তারা হলেন- একই গ্রামের মৃত আছমত আলীর ছেলে মো. সাইদুল ইসলাম (৫০) এবং তার স্ত্রী মোছা. অজুফা খাতুন (৪৫)।

থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সাইদুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে মিয়া হোসেনের বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সেই পুরোনো শত্রুতার জের ধরেই আজ (সোমবার) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে সাইদুল ইসলাম ও অজুফা খাতুন কৌশলে মিয়া হোসেনের বসতবাড়ির উত্তর পাশে অবস্থিত ফিশারিতে ক্ষতিকর কীটনাশক বা বিষ প্রয়োগ করেন।

পরবর্তীতে ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লোক মারফত খবর পেয়ে মিয়া হোসেন ও গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ দ্রুত তার ফিশারিতে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান, পুকুরের পানিতে হাজার হাজার মরা মাছ ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। বিষ প্রয়োগের ফলে ফিশারিতে চাষ করা প্রায় এক লক্ষ টাকা সমমূল্যের দেশীয় প্রজাতির মাছ সম্পূর্ণ মারা গেছে।

এ ঘটনায় সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন ওই মৎস্যচাষি। ভুক্তভোগী মিয়া হোসেন পুলিশ প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন জঘন্য অপরাধ করার সাহস না পায়।

এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এলাকাবাসী মনে করেন, এ ধরনের ঘটনা স্থানীয় কৃষিজীবী ও মৎস্যচাষিদের নিরুৎসাহিত করবে। তাই দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।

পড়ুন : জামিন পেলেন বিএনপি নেতা নুর মোহাম্মদ, রাতেই বারদীতে আনন্দ মিছিল

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন