রেলওয়ের ঐতিহ্যবাহী বাংলোতে নিয়মনীতি বুড়ো আঙুল দেখিয়ে করা অতিরিক্ত ও অপচয়মূলক আলোকসজ্জার খবর প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হলো জোর তোলপাড়। নাগরিক টেলিভিশনের অনলাইন পোর্টালে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের ঠিক ১ ঘণ্টার মাথায় তড়িঘড়ি করে খুলে ফেলা হলো সবকটি বিতর্কিত আলোকসজ্জা ও হাই-ভোল্টেজ সার্চ লাইট।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উক্ত বাংলো ও তার আশপাশে সাধারণ চাহিদার তোয়াক্কা না করে বসানো হয়েছিল একের পর এক শক্তিশালী লাইট। বিশেষ করে রেলওয়ে মাঠের বৈদ্যুতিক খুঁটির উঁচুতে বসানো শক্তিশালী সার্চ লাইটটি নিয়ে এলাকাবাসীর মনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছিল। এছাড়া বাসভবন ঘেরা স্থানে জ্বলছিল ২০০, ৩০০ এমনকি ৫০০ ওয়াটের একাধিক উচ্চ ক্ষমতার বাল্ব,যা সরকারি বিদ্যুতের সুস্পষ্ট অপচয় তুলে ধরছিল।
জনস্বার্থে ও অপচয় রুখতে বিষয়টি নিয়ে আজ নাগরিক টেলিভিশনের অনলাইনে চিত্রসহ বিস্তারিত সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে আসতেই যেন টনক নড়ে প্রশাসনিক মহলে।
সংবাদ প্রকাশের মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে সরেজমিনে দেখা যায় এক বদলে যাওয়া দৃশ্য। তড়িঘড়ি করে মাঠের সেই বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে নামিয়ে ফেলা হয় বিশালাকার সার্চ লাইটটি। একইসাথে বাংলোর চারপাশে ঝুলতে থাকা ২০০, ৩০০ ও ৫০০ ওয়াটের চোখধাঁধানো বড় বড় লাইটগুলোও একে একে খুলে নিয়ে যান কর্মচারীরা।
সংবাদ প্রকাশের পর মাত্র ৬০ মিনিটে কর্তৃপক্ষের এমন তড়িঘড়ি পদক্ষেপকে বস্তুনিষ্ঠ ও প্রভাববিস্তারী সাংবাদিকতার বড় উদাহরণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহল। নাগরিক টেলিভিশনের লেখনীর জোর ও ত্বরিত পদক্ষেপের কারণে বিদ্যুৎ অপচয় বন্ধ হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।


