চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় চপ-পেঁয়াজু বিক্রেতা চয়েন (৫০) কে ফোনে ডেকে নিয়ে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পরে অজ্ঞাতনামা একটি ভ্যানে করে তার মরদেহ আলমডাঙ্গা (হারদী) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে যাওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত চয়েন উপজেলার হারদী কৃষি ক্লাবপাড়ার গদোর ছেলে।
স্থানীয়ভাবে তিনি বড়া, চপ ও পেঁয়াজু বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বশত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে।
তবে অপর একটি সূত্র দাবি করেছে, ঘটনার পেছনে নারীঘটিত বিষয়ও থাকতে পারে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে।
বিশ্বস্ত একটি সূত্রের দাবি, আলমডাঙ্গার ওসমানপুর এলাকার জনৈক ইয়ামিনের ছেলে হেলাল ফোন করে চয়েনকে ডেকে নেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ১৩ মিনিটের দিকে চয়েনের ছেলে মারুফের মোবাইল ফোনে হেলাল ফোন করে বলেন, ‘তোর বাপের কাছে টাকা পাবো—দাদাকে সঙ্গে করে স্ট্যাম্প নিয়ে আয়।’ এরপর চয়েনের পরিবারের লোকজন ওসমানপুরে গেলে তাদের জানানো হয়, চয়েন মারা গেছেন।
পরে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে অজ্ঞাতনামা একটি ভ্যানে করে চয়েনের মরদেহ হারদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে যাওয়া হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও জানা গেছে।
এদিকে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, চয়েনকে কৌশলে ওসমানপুরে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এবং কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার পেছনের রহস্য জানা যাবে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
পড়ুন : চট্টগ্রাম বন্দরে অনুমতি ছাড়া ছবি-ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা


