টঙ্গীতে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন চেরাগ আলী (বেক্সিমকো রোড) এলাকায় ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডে ভবনের ৪র্থ তলায় অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২৩টি ইউনিট ও সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ যৌথভাবে কাজ করে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার ১৪ অক্টোবর সকাল ১০টা ১৪ মিনিটে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। টানা প্রায় চার ঘন্টা পর দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিটসহ সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে প্রথমে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। এরপর আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে সেনাবাহিনী তাদের নিজস্ব পানির ট্যাংক নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌছান। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে বিজিবিও যোগ দেয়।

জানা যায়, ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেড একটি অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। ড. এম. এ. আমজাদ হোসেনের মালিনাধীন কারখানাটিতে কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা ৩৮৫ জন। এর মধ্যে দুইজন শ্রমিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আতঙ্কে ভবন থেকে বের হতে গিয়ে ও ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে তারা আহত হন বলে জানা গেছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের স্টেশন অফিসার ও মিডিয়া সেল কর্মকর্তা মো: তালহা বিন জসিম জানান, “ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে। পর্যায়ক্রমে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। যার মধ্যে- টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের তিনটি, উত্তরা ফায়ার স্টেশনের তিনটি, গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের চারটি, কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশনের চারটি, রাজেন্দ্রপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ও পূর্বাচল ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট রয়েছে।

টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা শাহীন আলম জানান, কারখানার ভেতরে উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক পদার্থ, ধাতব যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য শিল্পসামগ্রী রয়েছে। আগুনে এসব মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। তবে আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।

সবশেষ দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণের সংবাদ দিয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ।

অগ্নিকাণ্ডের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ওই সড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও চালকদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করছে পুলিশ।

পড়ুন:এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে ধর্মঘট করলে কঠোর ব্যবস্থা: জ্বালানি মন্ত্রী

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন