কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে কৃতিত্বপূর্ণ একাডেমিক ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৮টি অনুষদের ৩৬জন শিক্ষার্থীকে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও ডিনস অ্যাওয়ার্ড কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. এমতাজ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং রেজিস্ট্রার (ইন-চার্জ) প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান।
এসময় থিওলজি ও ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সেকেন্দার আলী, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল্লাহ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বেগম রোকসানা মিলি, আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ নাজিমুদ্দিন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুস শহীদ মিয়া, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আসাদুজ্জামান, বায়োলজিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বাবলি সাবিনা আজহার এবং ইসলামী ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রহমান আনওয়ারী সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, ডিনস অ্যাওয়ার্ড শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা, মেধা ও পরিশ্রমের যথাযথ স্বীকৃতি। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় এ সম্মাননা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিদেশে বৃত্তি, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা তহবিলের জন্য আবেদনের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থান সুদৃঢ় করতেও এ অ্যাওয়ার্ড সহায়ক হবে। তিনি বলেন, ২০২২ সালে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন থাকাকালে তিনি নিজেই ডিনস অ্যাওয়ার্ডের নীতিমালার একটি খসড়া তৈরি করে তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এটি চালুর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এসময় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জনের জন্য শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা, নিজ নিজ বিষয়ে গভীর জ্ঞান এবং ব্যক্তিগত উপস্থাপনার দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন ভাইস চ্যান্সেলর।
পড়ুন : দ্রুততম সময়ে শহিদ আবরার ফাহাদ সেতু বাস্তবায়ন হবে : মীর শাহে আলম


