গণপিটুনিতে নিহত আসিফের ঘটনায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা

ভোলার সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজারে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে আসিফ (৩০) নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের মা হালিমা বেগম বাদী হয়ে সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে ভোলা সদর মডেল থানায় মামলাটি করেন। এতে পাঁচজনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি গ্রহণের পর তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজাপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজার এলাকায় একটি সালিসি বৈঠকে স্থানীয় বিএনপি নেতা হোসেন ম্যানেজারের সঙ্গে আসিফের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আসিফ হোসেন ম্যানেজারকে ছুরিকাঘাত গুরুতর জখম অভিযোগ রয়েছে।

পরে স্থানীয়রা আহত হোসেন ম্যানেজারকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়।

এদিকে, হোসেন ম্যানেজারের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে একদল লোক আসিফকে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় আসিফের মায়ের দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজাপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজার এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করা হবে। পাশাপাশি কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।

পড়ুন : দেশে অস্থিরতা করতে চাইলেও সেটিকে সরকার আমলে না নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে সংবেদনশীল আচারণ করছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন