এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে টাঙ্গাইলে ৬টি কলেজ-মাদ্রাসার একজন শিক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এর মধ্যে দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১ জন করে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেও পাস করেনি। শনিবার ফলাফল প্রকাশের পর রাতে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষকদের অবহেলা এবং নিয়মিত ক্লাশ না হওয়ার ফলে শিক্ষার্থীরা অকৃতকার্য হয়েছে।
শতভাগ ফেল করা কলেজগুলো হল-গোপালপুরের খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমী, শিমলা পাবলিক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গোপালপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, সখীপুরের সূর্য তরুণ শিক্ষাঙ্গণ আবাসিক স্কুল এন্ড কলেজ, নাগরপুরের ইসলামাবাদ দারুস সুন্নাহ আলিম মাদ্রাসা এবং ভূঞাপুর অলোয়া হাই স্কুল এন্ড কলেজ।
শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, গোপালপুরের খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমী থেকে ৭ জন শিক্ষার্থী, শিমলা পাবলিক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১ জন শিক্ষার্থী, গোপালপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৫ জন শিক্ষার্থী, সূর্য তরুণ শিক্ষাঙ্গণ আবাসিক স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৪ জন, ইসলামাবাদ দারুস সুন্নাহ আলিম মাদ্রাসা থেকে ৭ জন এবং অলোয়া হাই স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে।
জেলা শিক্ষা অফিস জানায়, জেলায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৫০.৩২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৩৬৬ জন। ২৯ হাজার ৮৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ হাজার ১৬ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এর মধ্যে এইচএসসি ৪৯.৬২ শতাংশ, আলিমে পাশের হার ৫৬.২৯ শতাংশ, এইচএসসি (বিএম) ৫৫.৭৩ শতাংশ এবং এইচএসসি (ভোক) ৪৯.৬৫ শতাংশ।
এ ব্যাপারে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি’র জেলা শাখার একাংশের সভাপতি আব্দুল কাদের বলেন, এর দ্বায় শিক্ষকদের নিতে হবে। কারণ শিক্ষকদের দ্বায় এড়ানো কোন সুযোগ নেই এছাড়া সরকারের আরো মনিটরিং বাড়াতে হবে।
এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার রেবেকা সুলতানা বলেন, ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আমরা ডাকবো এবং কারণ দশানো নোটিশ দিবো। লিখিত পাওয়ার পর প্রচলিত বিধি অনুয়ায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পড়ুন : এমপি মাজেদ বাবুর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র ও হলফনামায় জালিয়াতির অভিযোগ


