ভুল বিকাশ নম্বরে ৮০ হাজার টাকা, সাত মাস পর ফিরিয়ে দিল পুলিশ

মেহেরপুরের গাংনীতে ভুল বিকাশ নম্বরে চলে যাওয়া ৮০ হাজার টাকা সাত মাস পর উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। সন্তানের চিকিৎসার জন্য প্রবাস থেকে পাঠানো এই টাকা ফিরে পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে রুবিনা খাতুনের পরিবারে। পুলিশের এমন মানবিক উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রা।

বিজ্ঞাপন

চলতি বছরের ৭ এপ্রিল অসুস্থ সন্তানের চিকিৎসার জন্য প্রবাস থেকে ৮০ হাজার টাকা পাঠান রুবিনা খাতুনের পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু অসাবধানতাবশত টাকাটি চলে যায় অন্য একটি বিকাশ নম্বরে। নম্বরটি ছিল হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার এক নারীর। একাধিকবার যোগাযোগ করেও টাকা ফেরত না পেয়ে অবশেষে গাংনী থানা পুলিশের শরণাপন্ন হন রুবিনা।

দীর্ঘ সাত মাস পর পুলিশের উদ্যোগে উদ্ধার হয় সেই টাকা। আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে টাকা উদ্ধারের কার্যক্রম শুরু করে পুলিশ। পরে পুরো ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার করে রুবিনা খাতুনের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। টাকা ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন রুবিনা খাতুন।

রুবিনা খাতুন জানান, দীর্ঘদিন টাকা ফেরত না পেয়ে আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। হঠাৎ থানা থেকে ফোন করে টাকা উদ্ধারের খবর জানানো হয়। পরে পুলিশ বাড়িতে এসে টাকা পৌঁছে দিলে আনন্দিত হন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, ভুল করে অন্যের কাছে চলে যাওয়া টাকা পুলিশের মাধ্যমে উদ্ধার করে ফেরত দেওয়ার ঘটনা বিরল। পুলিশের এমন উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আস্থা বাড়বে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই অমিত দেবনাথ জানায়, হারানো টাকাটি হবিগঞ্জের একটি প্রত্যন্ত এলাকায় চলে গিয়েছিল। পরে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় তা উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, দালাল ও প্রতারকমুক্ত থানা গড়তে পুলিশ কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় অসহায় পরিবারটির কাছ থেকে কোনো খরচ না নিয়েই হারানো টাকা উদ্ধার করে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

সন্তানের চিকিৎসার জন্য পাঠানো অর্থ ফিরে পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে রুবিনা খাতুনের পরিবারে। পুলিশের এই উদ্যোগ স্থানীয়দের কাছে হয়ে উঠেছে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

পড়ুন : মোংলায় আরও শিল্পকারখানা গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন