তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর অভিনয়শিল্পী সংঘের সদস্যপদ স্থগিত

সংগঠনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সালিশ কমিটির নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ।

বিজ্ঞাপন

সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, অভিনয়শিল্পীদের মধ্যকার পারস্পরিক বিরোধ ও দ্বন্দ্ব নিষ্পত্তির জন্য অভিনয়শিল্পী সংঘের একটি স্বাধীন সালিশ কমিটি কাজ করে। উদ্ভূত একটি পরিস্থিতিতে সম্প্রতি তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈকে সালিশে তলব করা হয়েছিল। সেখানে বিষয়টি মীমাংসার জন্য তাদের ক্ষমা চেয়ে লিখিত বিবৃতি প্রদান এবং ভিডিও বার্তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত দেয়া হয়। তবে তারা সালিশ কমিটির সেই সিদ্ধান্তের কোনোটিই মানেননি।

পরবর্তীকালে সালিশ কমিটির পক্ষ থেকে পরপর দুইবার আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হলেও তানজিন তিশা বা সামিয়া অথৈর কাছ থেকে কোনো জবাব মেলেনি; এমনকি চিঠিগুলোও ফেরত আসে। এরপর তাদের সাথে মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। দীর্ঘ সময় যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় সালিশ কমিটি কার্যনির্বাহী কমিটির কাছে তাদের সদস্যপদ স্থগিত করার লিখিত সুপারিশ করে। পরে কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ওই সুপারিশ অনুমোদন করা হয়।

অভিনয়শিল্পী সংঘের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, অনিয়মের বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে গত ৭ জুলাই তাদের উভয়কে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ধার্য সময়সীমার মধ্যে জবাব না পাওয়ায় সংগঠনের গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী তাদের সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গত ৪ অক্টোবর তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্থগিতাদেশের নোটিশ জারি করা হয়েছে।

এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, কর্মক্ষেত্র ও কর্মস্থলে পেশাদারিত্ব ও সঠিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা সর্বদা বদ্ধপরিকর। পাশাপাশি একই পরিবারের অংশ হিসেবে শিল্পীদের পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, ভ্রাতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক অটুট রাখারও আশাবাদ ব্যক্ত করেছে অভিনয়শিল্পী সংঘ।

পড়ুন : কথিত প্রেমিক হর্ষ মেহতাকে নিয়ে দীপাবলি পার্টিতে মালাইকা

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন