বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই দিতে চায় সরকার: গিয়াস উদ্দিন রিমন

নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই দেশের সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই পৌঁছে দিতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে বইয়ের ছাপার মান, কাগজের গুণগত মান ও সরবরাহ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমন।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ঢাকার ধামরাইয়ের শ্রীরামপুরে মাগুরা মাল্টিপ্লেক্স পিএলসি-র ছাপাখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

গিয়াস উদ্দিন রিমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, নতুন বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীরা যেন নতুন বই হাতে পায়। বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন থেকেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে ফল প্রকাশের আনন্দের সঙ্গে নতুন বই পাওয়ার উচ্ছ্বাসও যুক্ত হবে।

তিনি বলেন, নতুন বইয়ের ঘ্রাণে শিক্ষার্থীদের মন আনন্দে ভরে উঠুক, তারা নতুন বই নিয়ে বাড়ি ফিরুক—এমন একটি আনন্দমুখর পরিবেশ তৈরি করতে চায় সরকার। সারা দেশে বই উৎসবের আবহ তৈরি করাই তাঁদের লক্ষ্য।

ছাপাখানা পরিদর্শনের বিষয়ে তিনি জানান, বইয়ের কাগজের মান, ছাপার গুণগত মান, রঙের ব্যবহার, ছবি ও ইলাস্ট্রেশনের স্পষ্টতা এবং লেখার পাঠযোগ্যতা গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে। কারণ কাগজের মান ভালো না হলে বইয়ের সামগ্রিক মানও ঠিক রাখা সম্ভব নয়।

কিছু বইয়ে কালো রঙের ব্যবহার তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিদর্শনে কয়েকটি অসঙ্গতি নজরে এসেছে। সংশ্লিষ্ট ছাপাখানা কর্তৃপক্ষকে সেগুলো দ্রুত সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য ছাপাখানা পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, যেসব প্রেসে তাঁরা গিয়েছেন, সব জায়গাতেই কাগজ ও ছাপার মান যাচাই করা হয়েছে। বইয়ের ছবি, রঙের ব্যবহার ও লেখার স্পষ্টতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

বই ছাপার অগ্রগতি ও গুণগত মান নিয়ে মোটামুটি সন্তোষ প্রকাশ করে গিয়াস উদ্দিন রিমন বলেন, এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

পড়ুন : সাতকানিয়ায় শিক্ষা সফরের বাস খাদে পড়ে ২ শিক্ষক নিহত

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন