জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্নস্থানে আলোচনা সভা, র্যালি ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব আয়োজনে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ ও জাতীয় জীবনে এর তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে দিবসটি উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা করেছে জেলা বিএনপি। র্যালিটি জেলা পরিষদের সামনে থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
পরে প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সিনিয়র সহসভাপতি জহিরুল হক খোকন, জেলা বিএনপির সদস্য হাফিজুর রহমান মোল্লা কচিসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। কর্মসূচিতে জেলা বিএনপি এবং বিভিন্ন উপজেলা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এরআগে, শনিবার সকালে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩-আসনের সংসদ সদস্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
জেলা প্রশাসক মোঃ আবুসাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মুঃ জালাল উদ্দিন ফাহিম পিপিএম, সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান প্রমুখ।
১৯৭৫ সালের এই দিনে সমগ্র জাতি যখন অনিশ্চয়তার সম্মুখীন, তখন সিপাহি-জনতার মিলিত বিপ্লব জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাত্ করে দিয়ে দেশপ্রেমের এক অনন্য নজির সৃষ্টি করে। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে এনে সিপাহি-জনতা তাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে। তিনি ক্রান্তিময় সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে দেশে প্রবর্তন করেন বহুদলীয় গণতন্ত্র। সূচনা করেন উন্নয়ন ও উৎপাদনের নবধারার রাজনীতি।
পড়ুন : কসবায় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচিতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ


