গাইবান্ধার চরাঞ্চলের হতদরিদ্ররা পাচ্ছে ৫১ কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা

গাইবান্ধার চরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং তাঁদের স্বাবলম্বী করে তুলতে প্রায় ৫১ কোটি টাকার একটি বড় সহায়তা প্রকল্প যাত্রা শুরু করেছে। ‘চয়েস, হোপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (সিএইচএআর) বাংলাদেশ পাইলট প্রজেক্ট’ নামক এই প্রকল্পের আওতায় জেলার দুটি উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের ২৫টি গ্রামের প্রায় সাড়ে আট হাজার হতদরিদ্র পরিবারকে এককালীন ও অফেরতযোগ্য নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

​শনিবার (৮ নভেম্বর) গাইবান্ধার গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে) রেসিডেনশিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত এক ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘গিভ ডাইরেক্টলি’-এর সহযোগিতায় এবং স্থানীয় শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে)’-এর আয়োজনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
​
মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চরাঞ্চলের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের নিজস্ব পছন্দ, আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং প্রতিকূলতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এই প্রকল্পে। গতানুগতিক সহায়তার বাইরে উপকারভোগী পরিবারের হাতে সরাসরি নগদ অর্থ তুলে দিয়ে তাঁদের নিজস্ব প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার অনুযায়ী তা ব্যবহারের স্বাধীনতা দেওয়া হবে।
​
প্রকল্পের আওতায় চরাঞ্চলের নির্বাচিত ২৫টি গ্রামের প্রায় সাড়ে আট হাজার হতদরিদ্র পরিবারের প্রত্যেককে প্রায় ৬০ হাজার টাকা করে এককালীন ও অফেরতযোগ্য নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে এই প্রকল্পের মোট সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৫১ কোটি টাকা। এই অর্থ দিয়ে উপকারভোগীরা নিজেদের পছন্দমতো ঘরবাড়ি মেরামত, ছোট ব্যবসা শুরু বা সম্প্রসারণ, গবাদিপশু কেনা কিংবা জীবনমান উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারবেন।

​অনুষ্ঠানে গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের (জিইউকে) চেয়ারম্যান ও পরিচালক আব্দুস ছালাম প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বিস্তারিত বক্তব্য দেন। এ সময় প্রকল্পসংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : হবিগঞ্জে বিজিবির পৃথক অভিযানে ১০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য ও মদ জব্দ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন