বিজ্ঞাপন

চিত্রপরিচালক বেনজীরের স্ত্রীর ইন্তেকাল

প্রয়াত চিত্রপরিচালক ফজল আহমেদ বেনজীর-এর সহধর্মিণী এবং নিউইয়র্কপ্রবাসী আবিদ ফাতে জাহাঙ্গীরের মা ৭৫ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে পুরাতন বাজারের ১০ নম্বর রোডস্থ নিজ বাসভবন ‘সাবিত নিবাসে’ তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। অসুস্থ অবস্থায় নিজ বাসভবনেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। শনিবার গভীর রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রয়াত চিত্রপরিচালক ফজল আহমেদ বেনজীর প্রায় পাঁচ বছর আগে মৃত্যুবরণ করেন। স্বামীর মৃত্যুর পর পুরাতন বাজারের এই বাড়িতেই তিনি বসবাস করছিলেন। একমাত্র ছেলে আবিদ ফাতে জাহাঙ্গীর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাস করায় জীবনের দীর্ঘ সময় তাঁকে একাই কাটাতে হয়েছে। স্বামীর স্মৃতি, পরিবারের প্রতি গভীর মমত্ববোধ এবং পরিচিতজনদের সান্নিধ্য নিয়েই তিনি জীবনের শেষ দিনগুলো অতিবাহিত করেন।

মায়ের মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে দ্রুত দেশের উদ্দেশে রওনা দেন একমাত্র ছেলে আবিদ ফাতে জাহাঙ্গীর। পারিবারিক সূত্র জানায়, তিনি সোমবার সকালে দেশে এসে পৌঁছেছেন।

মরহুমার জানাজার নামাজ সোমবার বাদ জোহর সরকার বাড়ি ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাঁকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

তাঁর মৃত্যুতে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, শুভানুধ্যায়ী এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিকুঞ্জ টানপাড়া কল্যাণ সোসাইটি এক শোকবার্তায় মরহুমার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ তাআলা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার শক্তি দান করুন—এ কামনা করেছেন তাঁর স্বজন, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসী।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী মারা গেছেন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন