বিজ্ঞাপন

ব্রিটিশ শাসল আমল থেকে এখনো আধুনিকায়নে উন্নতি হয়নি রেলওয়ে সেবা

ব্রিটিশ শাসল আমল থেকেই নন-ইন্টারলক বা এনালক পদ্ধতীতেই চলছে রাজশাহীর মোট ১২টি স্টেশন। ৯৬ বছর পার হলেও দেশের সরকার রাজশাহীর স্টেশন গুলোকে আধুনিকায়নে রূপান্তর করেননি। সরকারি হিসাব ও রেলওয়ের রুটম্যাপ অনুযায়ী, রাজশাহী জেলায় মোট ১২টি রেলওয়ে স্টেশন রয়েছে। এগুলোর মধ্যে কয়েকটি স্টেশন বেশ বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ, অন্য কয়েকটি স্টেশন তুলনামূলক ছোট বা লোকাল ট্রেনের যাত্রাবিরতির জন্য ব্যবহৃত হয়। নন-ইন্টারলক পদ্ধতীর কারনেই রেল দূর্ঘটনা ঘটছে। আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন যাত্রীসুবিধার উন্নতি করনে দাবি রাজশাহী বাসির।

বিজ্ঞাপন

২০২৪-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছর বা বছরগুলোতে রাজশাহী অঞ্চলে বড় কোনো একক ট্রেন দুর্ঘটনায় অনেক হাতহতের ঘটনা না হলেও অসাবধানতা বশত রেললাইন পারাপার বা লেভেল ক্রসিং পার হতে গিয়ে বিচ্ছিন্ন বেশ কিছু ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বা সরকারিভাবে এই নির্দিষ্ট দুই বছরের সুনির্দিষ্ট মোট মৃত্যুর কোনো সমন্বিত একক পরিসংখ্যান বা চূড়ান্ত সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে কিছু তথ্য পাওয়া যায়।

রাজশাহীর প্রধান প্রধান রেলওয়ে স্টেশনগুলোর ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়। এগুলোর বেশিরভাগই ব্রিটিশ আমলে ১৯৩০ সালে একসাথে চালু হয়েছিল। ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯১৫-১৯১৬ সালের দিকে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও সিরাজগঞ্জ রেললাইন তৈরি হয়। পরে ১৯৩০ সালে ‘আব্দুলপুর-আমনুরা’ ব্রডগেজ শাখা লাইন চালু করা হয়। এই লাইনটি চালুর অংশ হিসেবেই রাজশাহীর প্রধান স্টেশনসহ বেশ কয়েকটি স্টেশন একই দিনে বা একই বছরে যাত্রা শুরু করে। রাজশাহীর ১২টি রেলওয়ে স্টেশনের স্থাপনের স্টেশনের নামস্থাপিত হওয়ার তারিখ ঐতিহাসিক পটভূমি রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ১৯৩০ (প্রধান টার্মিনাল ভবনটি ২০০৩ সালে আধুনিকায়ান করা হয়। আব্দুলপুর-আমনুরা শাখা লাইন উদ্বোধনের সাথে সাথে প্রধান স্টেশন হিসেবে চালু হয়। আড়নী রেলওয়ে স্টেশন ১৯৩০ ব্রডগেজ লাইন সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে বাঘা উপজেলায় এটি স্থাপিত হয়। চারঘাটের নন্দনগাছী রেলওয়ে স্টেশন ১৯৩০ সালে একই রেল রুটের অধীনে চালু হয়। হরিয়ান রেলওয়ে স্টেশন ১৯৩০ সুগার মিল ও স্থানীয় যোগাযোগের জন্য পবা উপজেলার এই স্টেশনটি একই বছর চালু হয়। সরদহ রোড রেলওয়ে স্টেশন ১৯৩০ পুঠিয়া ও চারঘাট সীমানার এই ঐতিহাসিক স্টেশনটিও একই বছর যাত্রা শুরু করে। সিতলাই রেলওয়ে স্টেশন ১৯৩০ সালে পবা উপজেলার অন্তর্গত এই স্টেশনটি একই সাথে চালু হয়। কাকনহাট রেলওয়ে স্টেশন ১৯৩০ গোদাগাড়ী উপজেলার এই স্টেশনটি আব্দুলপুর-আমনুরা লাইনের অংশ। ললিতনগর রেলওয়ে স্টেশন একই সালে গোদাগাড়ীর আরেকটি লোকাল স্টেশন স্থাপিত হয়। রাজশাহী কোর্ট রেলওয়ে স্টেশন ১৯৩০ রাজশাহী শহরের জজ কোর্ট ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সংলগ্ন যাত্রীদের সুবিধার্থে এটি মূল লাইনের সাথে তৈরি হয়।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী রেলওয়ে স্টেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও আমনুরা সীমান্তের কাছাকাছি এই স্টেশনটি একই রুটের অন্তর্ভুক্ত ছিল। চব্বিশনগর রেলওয়ে স্টেশন গোদাগাড়ী উপজেলার একটি ছোট লোকাল স্টেশন হিসেবে একই সময়ে চালু হয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রেলওয়ে স্টেশন ১৯৭০ সালে পরবর্তীতে আধুনিকায়ন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য এই স্টেশনটি মূল ১৯৩০ সালের লাইনের ওপর পরবর্তী সময়ে (বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে হল্ট স্টেশন হিসেবে) স্থাপন করা হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনটি বাদে বাকি ১১টি স্টেশনই ১৯৩০ সালে ব্রিটিশ রেলওয়ে কোম্পানির অধীনে আব্দুলপুর-আমনুরা রেললাইন উদ্বোধনের মাধ্যমে একযোগে চালু হয়েছিল। তবে ব্রিটিশ আমলের পুরোনো নথিপত্রে সবকটি স্টেশনের মাস বা দিনের সুনির্দিষ্ট ‘তারিখ’ আলাদাভাবে সংরক্ষিত না থাকলেও ১৯৩০ সালকেই এগুলো চালুর অফিশিয়াল বছর ধরা হয়।

গত ২০২৪-২০২৫ সালের প্রধান প্রধান দুর্ঘটনা হলো গত মার্চ ২০২৫ সালে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর রেলগেটে ব্যারিকেড ভেঙে লাইনে ঢুকে পড়া একটি মোটরসাইকেলকে ‘বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস’ ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই ২ জন আরোহী নিহত হয়। একই মাসে ২০২৫ সালে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ‘ধূমকেতু এক্সপ্রেস’ এবং ‘বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস’ এর মধ্যে সিগন্যাল জটিলতায় একটি মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে ট্রেন দুটিতে কোনো যাত্রী না থাকায় বড় ধরনের এই দুর্ঘটনায় কেউ মারা যাননি।

২০২৫-২০২৬ সালের প্রধান প্রধান দুর্ঘটনা হলো ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে রাজশাহী নগরীর বহরমপুর বাইপাস এলাকায় রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে রাকেশ (২৪) নামের এক যুবক মারা যায়। চলতি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আব্দুলপুর রেলওয়ে জংশনে (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র) ট্রেন থেকে নামার সময় কাটা পড়ে নিহত হয়। একই সালের এপ্রিল মাসে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছী ও হাবিবপুর এলাকায় পৃথক দুটি ঘটনায় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জন (১ জন নারী ও ১ জন পুরুষ) নিহত হয়। এই বছরের মে মাসে রাজশাহী মহানগরীর গৌরহাঙ্গা রেলগেট এলাকায় ‘মহানন্দা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ধাক্কায় ১ জন বৃদ্ধা (৬৫) নিহত হয়।

রেলওয়ে পুলিশ এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বা যাত্রী কল্যাণ সমিতি) সাধারণত সারা দেশের মোট দুর্ঘটনার হিসাব একসাথে প্রকাশ করে। জেলা বা অঞ্চলভিত্তিক একেবারে নিখুঁত মোট সংখ্যাটি জানা সম্ভব হয়নি। তবে সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী এই দুই বছরে রাজশাহী ও এর আশেপাশে বিচ্ছিন্নভাবে ট্রেনের ধাক্কায় বা কাটা পড়ে অন্তত ৭ থেকে ৮ জন মানুষের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়।
স্টেশনগুলো হলো রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন (শহরের প্রধান এবং কেন্দ্রীয় স্টেশন). রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রেলওয়ে স্টেশন, রাজশাহী কোর্ট রেলওয়ে স্টেশন, সরদহ রোড রেলওয়ে স্টেশন (চারঘাট), সিতলাই রেলওয়ে স্টেশন (পবা), চব্বিশনগর রেলওয়ে স্টেশন (গোদাগাড়ী), গোদাগাড়ী রেলওয়ে স্টেশন, কাকনহাট রেলওয়ে স্টেশন (গোদাগাড়ী), আড়ানী রেলওয়ে স্টেশন (বাঘা), নন্দনগাছী রেলওয়ে স্টেশন (চারঘাট), হরিয়ান রেলওয়ে স্টেশন (পবা) এবং রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ললিতনগর রেলওয়ে স্টেশন।

রাজশাহী জেলার সর্বপ্রথম রেলওয়ে স্টেশন হলো শহরের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন। ১৯৩০ সালে যখন আব্দুলপুর থেকে আমনুরা পর্যন্ত ব্রডগেজ রেললাইনটি স্থাপন করা হয়, তখনই একযোগে এই রুটের প্রধান স্টেশন হিসেবে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন চালু হয়। ওই সময় এই রুটের অন্তর্গত আড়নী, হরিয়ান বা সরদহ রোডের মতো লোকাল স্টেশনগুলোও একই বছর যাত্রা শুরু করে। তবে কেন্দ্রীয় ও প্রথম শ্রেণির স্টেশন হিসেবে রাজশাহী প্রথম ও প্রধান।

রেলওয়ে স্টেশন গুলো ব্যক্তিগতভাবে কোনো একক ব্যক্তি এই স্টেশনের প্রতিষ্ঠাতা নন। এটি তদানীন্তন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে ব্রিটিশ সরকারের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সরকারি রেল কোম্পানি ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে এর উদ্যোগে এবং অর্থায়ানে নির্মিত ও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকারের আমলে স্টেশনটির মূল পুরোনো ভবন ভেঙে একটি পাখির ডানার আকৃতিতে আধুনিক ত্রিমাত্রিক ছাদ বিশিষ্ট বৃহত্তম টার্মিনাল ভবন নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় জোনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হওয়ায় রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন এবং এর আশেপাশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকারের বেশ কিছু মেগা উদ্যোগ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। এগুলো মূলত যাত্রীসেবা বৃদ্ধি, গতি বাড়ানো এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে।
সরকারী উদ্যোগ হচ্ছে রাজশাহী-আব্দুলপুর রেললাইন ডুয়েল গেজে রূপান্তর বর্তমানে রাজশাহী থেকে আব্দুলপুর পর্যন্ত রেললাইনটি কেবল ‘ব্রডগেজ’ লাইনের আওতাভুক্ত করা। সরকারের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী এই অংশটিকে ডুয়েল গেজে রূপান্তর করার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে মিটারগেজ ও ব্রডগেজ উভয় ধরনের ট্রেনই কোনো প্রকার জটিলতা ছাড়াই এই রুটে চলাচল করতে পারবে এবং ঢাকা বা দেশের অন্যান্য প্রান্তের সাথে ট্রেন চলাচলের গতি ও ট্রিপের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাবে।

স্টেশন ইয়ার্ড ও প্ল্যাটফর্ম আধুনিকায়ন যাত্রী ধারণক্ষমতা বাড়তে এবং নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে ট্রেন পরিচালনার জন্য রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের ইয়ার্ড রিমডেলিং বা পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে। এর আওতায় রয়েছে প্ল্যাটফর্মগুলোর উচ্চতা বাড়ানো (যাতে যাত্রীরা সহজে ট্রেনে উঠতে পারেন)। ওভারব্রিজ বা ফুটওভারব্রিজে চলন্ত সিঁড়ি ও লিফট স্থাপন করে প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীবান্ধব করা। স্টেশন ভবনের ভেতরের ডিজিটাল সিগন্যালিং, ডিসপ্লে বোর্ড এবং সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনিং ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, অটোমেটিক কালার লাইট সিগন্যালিং ব্যবস্থার উন্নয়ন, ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ প্রতিরোধ এবং স্টেশনে ট্রেনের আগমন-বহির্গমন আরও দ্রুত ও নিরাপদ করতে রাজশাহী স্টেশনের পুরোনো সিগন্যালিং ব্যবস্থা বদলে আধুনিক কম্পিউটার বেসড ইন্টারলকিং এবং সেন্ট্রালাইজড ট্রাফিক কন্ট্রোল সিগন্যালিং ব্যবস্থা প্রবর্তনের কাজ চলমান পরিকল্পনার অংশ। এটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় কমিয়ে আনবে। রাজশাহী জোনাল ওয়ার্কশপ বা কারখানার আধুনিকায়ন রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেলওয়ের নিজস্ব যে ক্যারেজ ও ওয়াগন মেরামত কারখানা রয়েছে, সেটির সক্ষমতা আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও বাড়ানোর উদ্যোগ রয়েছে। এর ফলে নতুন আধুনিক কোচগুলোর দ্রুত রক্ষণাবেক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং ট্রেনগুলোকে দীর্ঘ সময় স্টেশনে অলস বসে থাকতে হবে না।

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রেল সংযোগের প্রবেশদ্বার সরকারের দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী, রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনকে কেন্দ্র করে ভারতের সাথে কানেক্টিভিটি বাড়ানোর উদ্যোগ রয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের রোহনপুর হয়ে এবং ভারতের গেদে-দর্শনা রুটের পাশাপাশি রাজশাহীকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে মালবাহী ও যাত্রীবাহী ট্রেনের ট্রিপ বৃদ্ধির কৌশলগত পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সেবামূলক উদ্যোগে রয়েছে রেলওয়ে জেনারেল হাসপাতাল উন্মুক্তকরণ ইনফ্রাস্ট্রাকচারের পাশাপাশি যাত্রী ও সাধারণ মানৃষের চিকিৎসার মানোন্নয়নে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের কাছে অবস্থিত রেলওয়ে জেনারেল হাসপাতালটিকে সর্বসাধারণের চিকিৎসা সেবার জন্য উন্মুক্তকরণ এবং এর আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চিকিৎসা প্রাপ্তি সহজ করবে।

সংলগ্ন বড় সুবিধা হলো সরকার সম্প্রতি বগুড়া-সিরাজগঞ্জ সরাসরি রেলপথ নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের বড় ফান্ড বরাদ্দ দিয়েছে। এই রুটটি তৈরি হয়ে গেলে রাজশাহী থেকে ঢাকার দূরত্ব এবং ভ্রমণের সময় প্রায় ২ থেকে ৩ ঘণ্টা কমে আসবে, যার সরাসরি সুফল পাবে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ব্যবহারকারী যাত্রীরা।

রাজশাহী রেলওয়ে মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহম্মেদ বলেন, এই বিভাগে বাজেট সিমিত থাকার কারনে অনেক কিছু বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়না। সার্বিক বিষয়ে উন্নতি করনে একনেকে বাজেট পাশ করতে হয়। তবে আগামীতে রেল বিভাগকে আরো আধুনিকায়নে প্রকল্প নেওয়া হবে বলে, তিনি জানান।

পড়ুন:প্রধানমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় দেশের ভাল করার চেষ্টায় আছেন: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন