ঝিনাইদহের পাগলাকানাই এলাকার ভাড়া বাসায় হোটেলকর্মী খুশি খাতুন হত্যা ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় ৬৬ দিন পর নিহতের কথিত প্রেমিক সাঈদ মেহেদী (২৪) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ শনিবার ভোরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় নিহত খুশির কথিত প্রেমিককে তাকে আটক করে ঝিনাইদহ পুলিশের একটি চৌকস টিম। সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার খলিশাখালী এলাকার একটি মাছের ঘের থেকে তাকে আটক করা হয়।
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকালে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা সূত্রে এসব তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতার সাঈদ মেহেদী (২৪) সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার ঢেপুখালী গ্রামের মোসলেম গাজীর ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, ক্লু লেস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়। অবশেষে সাতক্ষীরা থেকে মামলার একমাত্র আসামি সাঈদ মেহেদীকে (২৪) সাতক্ষীরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতারের পর আজ শনিবার আসামী সাঈদ মেহেদীকে ঝিনাইদহের একটি আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে অভিযুক্ত সাইদ মেহেদী হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রোকনুজ্জামান জানান, গত ১৩ মে ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই এলাকার সায়াদাতিয়া সড়কের একটি ভাড়া বাসা থেকে খুশি খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে আসামি পলাতক থাকে। কোনো প্রত্যক্ষ সূত্র না থাকায় পুলিশের তদন্ত টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে আসামীকে আটক করে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সাঈদ মেহেদী হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। খুশি খাতুনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলেও আসামী স্বীকার করেছে। প্রেমের সম্পর্কের সূত্রধরে খুশি খাতুন ও সাঈদ মেহেদী স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ঝিনাইদহ শহরের সায়াদাতিয়া সড়কের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করে।
পড়ুন: শিরোপার লড়াইয়ে স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ
আর


