শুরুতে ছয় পয়েন্ট কাটার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। আপিলের পর সেই শাস্তি থেকে রেহাই মিললেও বড় অঙ্কের জরিমানা আর দুই ট্রান্সফার উইন্ডোর স্থগিত নিষেধাজ্ঞা এড়াতে পারেনি চেলসি। ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এফএ) তদন্তে ৭৪টি নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর ক্লাবটিকে ১ কোটি পাউন্ড, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬৫ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) এক বিবৃতিতে এফএ জানায়, স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশনের তদন্তে চেলসির বিরুদ্ধে আনা ৭৪টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। প্রথমে ক্লাবটির ছয় পয়েন্ট কেটে নেয়ার সিদ্ধান্ত দেওয়া হলেও, আপিলে সেই শাস্তি বাতিল করা হয়। এর বদলে দুই ট্রান্সফার উইন্ডোর জন্য খেলোয়াড় নিবন্ধনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যা ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে ফুটবল এজেন্ট ও মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে লেনদেন এবং খেলোয়াড়দের চুক্তিতে তৃতীয় পক্ষের বিনিয়োগসংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে এফএ। তদন্তে উঠে আসে, ২০০৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে সংঘটিত অনিয়মগুলোর বেশির ভাগই রোমান আব্রামোভিচের মালিকানাধীন সময়, বিশেষ করে ২০১০-১১ থেকে ২০১৫-১৬ মৌসুমের মধ্যে ঘটেছে।
এফএর তথ্য অনুযায়ী, শুনানির আগেই ৭৪টি নিয়ম ভঙ্গের বিষয়টি স্বীকার করে চেলসি। এরপর স্বাধীন কমিশন ক্লাবটিকে ১ কোটি পাউন্ড জরিমানা এবং ছয় পয়েন্ট কাটার শাস্তি দেয়। পরে আপিল বোর্ড পয়েন্ট কাটার সিদ্ধান্ত বাতিল করে তার পরিবর্তে দুই ট্রান্সফার উইন্ডোর স্থগিত নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত এখনও চলমান।
২০২২ সালে ক্লাবটির মালিকানা পরিবর্তনের পরই বিষয়টি সামনে আসে। নতুন মালিকানা প্রতিষ্ঠান ব্লুকো অতীতের আর্থিক লেনদেনে সম্ভাব্য অনিয়ম শনাক্ত করে স্বেচ্ছায় প্রিমিয়ার লিগ, এফএ এবং উয়েফাকে বিষয়টি জানায়।
রায়ের পর দেয়া এক বিবৃতিতে চেলসি জানায়, এফএর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় তারা সন্তুষ্ট। ক্লাবটির দাবি, তদন্তের শুরু থেকেই তারা সব নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করেছে এবং প্রয়োজনীয় হাজার হাজার নথি স্বেচ্ছায় জমা দিয়েছে। একই বিষয়ে এর আগে উয়েফা ও প্রিমিয়ার লিগের সঙ্গেও সমঝোতায় পৌঁছেছিল ক্লাবটি।
পড়ুন : ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১২ ভেন্যু চূড়ান্ত
সা/


