ভারতের দিল্লিতে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। ভারত সরকারের পূর্বের আশ্বাস সত্ত্বেও এই ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ এটিকে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি গুরুতর অপমানের আখ্যা দিয়েছে। একইসঙ্গে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
এর মধ্যেই আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ না নেওয়ার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। সরকারের একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে সরাসরি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ। সেখানে তিনি ও তাঁর সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিষাক্ত ঘৃণা ছড়িয়েছেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এ পরিস্থিতিতে ঢাকায় ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামীকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের এ সাক্ষাৎ হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে আজ রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
পড়ুন : কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
সা/


