বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ-পাকিস্তান-আফগানিস্তান আবার ভারতের অংশ হবে: রামদেব

বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান একদিন আবার ভারতের অংশ হবে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের বিতর্কিত যোগগুরু রামদেব। এ জন্য ভারতীয়দের একটু ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে ভারতে কোনও ধর্মই হুমকির মুখে নেই দাবি করে রামদেব বলেন, হুমকির মুখে রয়েছে ভারতের সম্মান ও মর্যাদা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, রায়পুরের স্বামী বিবেকানন্দ বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় রামদেব এসব মন্তব্য করেন। পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও তা সংবিধান ও নৈতিকতার সীমার মধ্যে থাকা উচিত।

পাকিস্তানে হিন্দুদের পরিস্থিতি নিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রামদেব বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হিন্দুরা ‘নির্যাতন ও অবিচারের’ শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হিন্দুরা যে নির্যাতন ও অবিচারের শিকার হয়েছেন, তা মানবসভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নিষ্ঠুরতার ঘটনাগুলোর মধ্যে পড়ে’।

রামদেব বলেন, ‘একদিন এমন সময়ও আসবে, যখন পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান আবার ভারতের সঙ্গে যুক্ত হবে। শুধু একটু ধৈর্য ধরুন।’

ধর্মান্তর এবং তা ঠেকাতে ছত্তিশগড়ে করা আইন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রামদেব বলেন, হিন্দু, খ্রিষ্টান বা মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ মূলত ‘রাজনৈতিক বক্তব্যের অংশ’। তিনি বলেন, ‘দেশে যেসব ধর্মীয় পরিবর্তন ঘটেছে, অন্তত ভবিষ্যতে যেন কাউকে নির্যাতনের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। হিন্দু, ইসলাম বা খ্রিষ্টান—কোনও ধর্মই হুমকির মুখে নেই। হুমকির মুখে রয়েছে ভারতের সম্মান ও মর্যাদা।’

রামদেব বলেন, তিনি চান ভারত বিশ্বের সেরা গণতন্ত্রে পরিণত হোক এবং ভারতীয় নাগরিকরা বিশ্বের সেরা নাগরিক হোক। তিনি বলেন, ‘আমি চাই ভারতের অর্থনীতি বিশ্বের সেরা হোক, রুপির মূল্য অন্তত ডলার ও পাউন্ডের সমান হোক এবং ভারতীয় পাসপোর্ট এত শক্তিশালী হোক যে বিশ্বের কোথাও ভারতীয়দের ভিসার প্রয়োজন না হয়।’

যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়াসহ বিশ্বের প্রতিটি দেশেই ভারত যেন সমান সম্মান পায়, সেটিও চান বলে জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : আজ সড়কে নামছে ‘মহিলা বাস’, চালক ও কন্ডাক্টর নারী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন