বিজ্ঞাপন

অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন, মন্ত্রিসভায় খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন

‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন এই আইনে এপিবিএন সন্ত্রাস, মাদক, মানবপাচার ও মানি লন্ডারিংয়ের মতো গুরুতর অপরাধের তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা পাবে।

বিজ্ঞাপন

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৮তম বৈঠকে এর অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অধ্যাদেশ ১৯৭৯ এর অধীনে গঠিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে অধিক জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিদ্যমান অধ্যাদেশ যুগোপযোগী করে বাংলায় ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০১৬’ এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। খসড়া আইনটি জনমত যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করা হয়েছে।

আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিদ্যমান দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অধ্যাদেশ ১৯৭৯ রহিতপূর্বক এই অধ্যাদেশের অধীনে কৃত কার্যক্রমের হেফাজতের বিধান রেখে বাংলায় আইনটি যুগোপযোগী করা হয়েছে। সেই সঙ্গে পুলিশ বাহিনীর অধীন এই ব্যাটালিয়ন পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। পাশাপাশি এই ব্যাটালিয়নকে জননিরাপত্তা রক্ষা, ভিআইপি ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা, সরকার ঘোষিত স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা, সন্ত্রাস, মাদক, মানবপাচার, ধর্ষণ এবং মানবতাবিরোধী কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও প্রস্তাবিত আইনে ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন প্রতিপালন সাপেক্ষে ইউনিটের সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এই আইনে বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন ও বিচার পদ্ধতির প্রস্তাব করা হয়েছে।

সবশেষ সোমবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।

পড়ুন : দেশের অধিকাংশ চালক ‘হেলপার থেকে ড্রাইভার’: সড়কমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন