বলিউড ও হিন্দি টেলিভিশন অঙ্গনের জনপ্রিয় অভিনেতা মুশতাক খান আর নেই। ফুসফুসের ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘদিন লড়াইয়ের পর বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মুম্বাইয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর।
মুশতাক খানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফেডারেশন অব ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজের (এফডব্লিউআইসিই) সভাপতি বি এন তিওয়ারি।
অভিনেতার ব্যবসায়িক অংশীদার শিবম জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে হাসপাতালে মারা যান মুশতাক। তার ফুসফুসে ক্যানসার শনাক্ত হয়েছিল। চিকিৎসার পর একসময় সুস্থও হয়ে উঠেছিলেন তিনি। তবে প্রায় আট দিন আগে ফের ক্যানসার ফিরে আসে।
এরপর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মুশতাককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন ক্যানসার শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল বলে জানান শিবম। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তার দাফন হওয়ার কথা রয়েছে।
চার দশকের বেশি সময় ধরে হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করেছেন মুশতাক খান। নায়ক হিসেবে নয়, বেশিরভাগ সময় পার্শ্বচরিত্রেই দেখা গেছে তাকে। তবে সাবলীল অভিনয় এবং নিখুঁত কমিক টাইমিংয়ের কারণে তারকাবহুল সিনেমাতেও দর্শকের আলাদা মনোযোগ কেড়েছেন তিনি।
স্বল্প সময়ের পর্দা উপস্থিতিকেও স্মরণীয় করে তোলার সক্ষমতা ছিল মুশতাকের। এ কারণে দীর্ঘ অভিনয়জীবনে হিন্দি সিনেমার পরিচিত চরিত্রাভিনেতাদের তালিকায় নিজের জায়গা তৈরি করেন তিনি।
১৯৮০ সালে ‘আলবার্ট পিন্টো কো গুসসা কিঁউ আতা হ্যায়’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করেন মুশতাক খান। এরপর ‘আশিকি’, ‘দিল হ্যায় কি মানতা নেহি’, ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’, ‘রাজা’, ‘হেরা ফেরি’, ‘গদর: এক প্রেম কথা’, ‘জোড়ি নম্বর ১’, ‘মুঝসে শাদি করোগি’, ‘ওয়েলকাম’, ‘ওয়ান্টেড’ ও ‘ও মাই গড!’সহ অসংখ্য সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।
চার দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের কাছে স্বতন্ত্র পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন মুশতাক খান।
পড়ুন : রক্তাক্ত হাতে রণবীর, প্রকাশ পেল ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’র ফার্স্ট লুক
সা/


