বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য কমে যাওয়ায় প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার ৩০ সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, সমন্বয় করা এই দাম বুধবারও দেশের বাজারে কার্যকর থাকবে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন নির্ধারিত দরেই স্বর্ণ বিক্রি করতে হবে।

স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে। বৈঠকের পর কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দামের বিষয়টি জানানো হয়।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে এই মানের স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। প্রতি ভরি স্বর্ণের ওজন ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকায়।

১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে ১ হাজার ৮০৮ টাকা। এতে এই মানের স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা।

অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দামও ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমেছে। নতুন নির্ধারিত দর অনুযায়ী, সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমার কারণে স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সংগঠনটি নিয়মিতভাবে স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করে থাকে।

তবে নির্ধারিত স্বর্ণের দামের বাইরে অলংকার তৈরির ক্ষেত্রে মজুরি প্রযোজ্য হবে। অলংকারের ডিজাইন, কাজের ধরন ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মজুরি নির্ধারণ করা হবে। ফলে স্বর্ণের ঘোষিত দামের সঙ্গে মজুরি যোগ হওয়ার কারণে অলংকার কিনতে ক্রেতার মোট খরচ কিছুটা বেশি হতে পারে।

ভ্যাট আদায়ের বিষয়েও নির্দেশনা দিয়েছে বাজুস। সংগঠনটি জানিয়েছে, স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। অর্থাৎ ঘোষিত বিক্রয়মূল্যের বাইরে অতিরিক্ত ভ্যাট নেওয়ার সুযোগ নেই।

এ ছাড়া পুরোনো অলংকার পরিবর্তন বা নতুন অলংকার কেনার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে মূল্য সমন্বয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাজুসের নির্দেশনা অনুযায়ী, অলংকার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের সময় মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দেওয়ার পর যথাক্রমে ১২ শতাংশ ও ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে।

স্বর্ণের দামে এই পরিবর্তনের ফলে দেশের জুয়েলারি বাজারে ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটসহ বিভিন্ন মানের স্বর্ণের দাম কমেছে। তবে অলংকার কেনার ক্ষেত্রে মজুরি ও অন্যান্য প্রযোজ্য খরচ আলাদাভাবে বিবেচিত হবে।

বাজুসের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন দরে স্বর্ণ বিক্রি হবে। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দামের পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে পরবর্তী সময়ে আবারও দাম সমন্বয় করা হতে পারে।

পড়ুন:রাজস্ব আদায় কম, ব্যাংক ঋণে সরকারের নির্ভরতা বাড়ছে

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন