আমিনপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলা ও ক্যামেরা ছিনতাইয়ের অভিযোগ, থানায় জিডি

পাবনার আমিনপুর থানায় মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে এক সাংবাদিকের ওপর সশস্ত্র হামলা, হত্যাচেষ্টা এবং ক্যামেরা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. হাসান মিয়া (৩০) চারজনের নাম উল্লেখ করে আমিনপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
আমিনপুর থানাধীন নয়া বাড়ি এলাকার মো. রকিবুল হাসান লিটনের ছেলে ​ভুক্তভোগী হাসান মিয়া নাগরিক টেলিভিশনের বেড়া উপজেলা প্রতিনিধি।
​অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন— পাবনার আমিনপুর থানার নয়া বাড়ি মধ্যপাড়া এলাকার মো. মিরাজ শেখের ছেলে ১. মো. সবুজ শেখ (২৮), ২. মো. ফাইম শেখ (২২), ৩. মো. ইমামুল শেখ (২৬) এবং ৪. মো. রাজু শেখের ছেলে মো. সাজন (৩০)।
​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এলাকায় মাদক কারবারসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। গত ৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে কাশিনাথপুর এলাকায় মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সংবাদ সংগ্রহের কাজ শেষে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন সাংবাদিক হাসান মিয়া। পথিমধ্যে নয়া বাড়ি ও কাবাসকান্দা জামে মসজিদের সামনের পাকা রাস্তায় পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে অভিযুক্তরা পিস্তল, চাকু, ছোড়াসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাঁর মোটরসাইকেলের গতি রোধ করে।
​অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অপরাধের বিষয়ে রিপোর্ট করার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ১ নম্বর বিবাদী (সবুজ শেখ) হত্যার উদ্দেশ্যে চাকুর মাধ্যমে হাসান মিয়ার পেটে আঘাত করার চেষ্টা করে। এ সময় তিনি দ্রুত মোটরসাইকেল চালিয়ে আত্মরক্ষা করতে সমর্থ হন। পালানোর সময় হামলাকারীরা তাঁকে ধাওয়া করে। এ প্রক্রিয়ায় তাঁর ব্যবহৃত আনুমানিক ৯৫,০০০ টাকা মূল্যের একটি ডিএসএলআর (DSLR) ক্যামেরা পড়ে গেলে অভিযুক্তরা তা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
​সাংবাদিক হাসান মিয়ার চিৎকার-চেঁচামেচিতে স্থানীয় আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসেন এবং বিষয়টি জানতে পারেন।
বেড়া প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. হাসান মিয়া ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে উক্ত ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন:ধামরাইয়ে ২০০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন