জামালপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত-১। একই সঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও খালাস দেওয়া হয়েছে দুই আসামিকে।
মঙ্গলবার ( ২৭ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহিম এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, ২০১৪ সালে জামালপুর সদর উপজেলার দড়িমোহলপুর এলাকার হামিদুর রহমানের মেয়ে তমা আক্তারকে একই উপজেলার লাহিড়ী কান্দা এলাকার ইয়াকু্ব আলীর ছেলের সঙ্গে জনি মিয়ার বিবাহ দেন। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে বিভিন্ন সময় তমাকে নির্যাতন করতো জনি মিয়া ও তার পরিবারের লোকজন।
২০১৫ সালের ১৯ মার্চ দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের জন্য স্ত্রী তমা আক্তারকে হত্যা করেন জনি মিয়া। এঘটনায় গত ৬ এপ্রিল জামালপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত তমার বাবা হামিদুর রহমান। ওই মামলায় দীর্ঘ শুনানী শেষে ১০ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণের পর মঙ্গলবার বিচারক রায় ঘোষণা করেন।
এসময় ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম মামলার প্রধান আসামি জনি মিয়াকর মৃত্যুদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেন। রায়ে অপর দুই আসামি ইয়াকুব আলী ও ময়না বেগমকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন : সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ৫ যাত্রী নিহত
সা/


