বিজ্ঞাপন

আবারও জাপান সাগরে ১০ মিসাইল ছুড়ল উত্তর কোরিয়া

জাপান সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে পিয়ং ইয়ং। ধারণা করা হচ্ছে, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়ার জবাবে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর কোরিয়ার জন্য ‘বৈরী’ আখ্যা দিয়ে চলতি সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার ঘোষণা দেন ট্রাম্প।

এর পর বুধবার ট্রাম্প জানান, চলতি বছরের শেষ দিকে কিমের সঙ্গে তার আবারও বৈঠক হতে পারে। এরই মধ্যে জাপান সাগরের পূর্ব উপকূলে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে উত্তর কোরিয়া।

খবরে বলা হয়, ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে দুই নেতার সম্পর্ক চমৎকার বললেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসার ক্ষেত্রে কঠিন কিছু শর্তও আরোপ করতে পারে পিয়ংইয়াং।

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরু করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি কূটনৈতিক সাফল্য অর্জন করতে ট্রাম্প আগ্রহী বলে সংশ্লিষ্ট আলোচনার বিষয়ে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে। তবে ইরান যুদ্ধেরও এখনই অবসানের কোনো স্পষ্ট সম্ভাবনা নেই। এর মধ্যেই ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সেনা, সরঞ্জাম ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছে উত্তর কোরিয়া।

ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগের বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়াও ব্যক্তিগত পর্যায়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়ে সিউলের কর্মকর্তাদের মধ্যে এখনও উদ্বেগ রয়েছে।

চলতি বছরের শেষ দিকে চীনের শেনজেনে এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) সম্মেলনে ট্রাম্পের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। উত্তর কোরিয়া আলোচনায় আগ্রহী হলে ওই সফরের সময়ই কিমের সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। প্রেসিডেন্ট এবং কিম জং উন উপযুক্ত সময়ে আবারও বৈঠক করবেন।

তবে উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, কিম ও ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পর্ককে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও সামরিক কৌশলের চেয়ে আলাদা করে দেখছে পিয়ংইয়ং।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া কমানোর সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, মহড়া অব্যাহত রাখাই আগ্রাসী নীতির প্রমাণ এবং উত্তর কোরিয়ার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতি এখনও বৈরী।

তিনি একই সঙ্গে ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে সাম্প্রতিক কোনো যোগাযোগের কথা অস্বীকার করলেও দুই নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্ককে চমৎকার বলে উল্লেখ করেছেন।

সূত্র : রয়টার্স

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ‘চিকেনস নেক’ নিরাপত্তায় যে পদক্ষেপ নিচ্ছে ভারত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন