বিজ্ঞাপন

সোনারগাঁও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সার্জারি চিকিৎসক ফারজানার বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ

বিজ্ঞাপন

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফারজানা আক্তারের বিরুদ্ধে রোগীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীসহ স্থানীয়রা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের ভেতরে কান্নাকাটি করছেন মোহাম্মদ মনির হোসেন নামে এক রোগী। কান্নার কারণ জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ করে বলেন, পায়ে বিভিন্ন ধরনের গোটা হওয়ায় ব্যথায় অতিষ্ঠ হয়ে তিনি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। সেখান থেকে তাকে বহির্বিভাগের সার্জারি বিভাগের চিকিৎসককে দেখানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

মনির হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি বহির্বিভাগে গিয়ে সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফারজানা আক্তারের কাছে গেলে টিকিট নিয়ে আসতে বলা হয়। টিকিট কাউন্টারে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ায় আর টিকিট দেওয়া হচ্ছে না। পরে বিষয়টি চিকিৎসককে জানালে তাকে নিরাপত্তাকর্মী সঙ্গে নিয়ে আসতে বলা হয়।

রোগীর অভিযোগ, নিরাপত্তাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরও তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং তাকে কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। এতে তিনি ভেঙে পড়ে কান্নাকাটি শুরু করেন।

পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা রোগীর বক্তব্য নেওয়ার পর চিকিৎসক ডা. ফারজানা আক্তারের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিকরা। পরে দরজা খুললেও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা না বলে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে (THO) জানানো হলে তিনি বিষয়টি অবগত হয়েছেন উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

এর আগেও সাংবাদিক মাসুদ রানা ও সাংবাদিক হিরু মিয়ার সঙ্গে রোগী সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ডা. ফারজানা আক্তারের দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল বলে জানা গেছে। এছাড়া আরও কয়েকজন রোগীর সঙ্গেও একই ধরনের আচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে সোনারগাঁওয়ের বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। জানা গেছে তিনি ১১১ নাম্বার কক্ষে বসেন। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ডা. ফারজানা আক্তারকে অপসারণের দাবিও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

পড়ুন : প্রশ্নের মুখে ‘পিংক বাস’: মেয়াদহীন গাড়ীতে নতুন রং, মাসে লোকসান ১২ লাখ!

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন